ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় বিভাগীয় কমিশনার নারীর উন্নয়ন ও শিশুর বুদ্ধি বিকাশে মা সবচেয়ে বড় শিক্ষক

আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২১, ৯:২২ অপরাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিবেদক:


প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘নারীর উন্নয়ন ও শিশুর বুদ্ধি বিকাশে মা সবচেয়ে বড় শিক্ষক’। শিশু ও নারীর প্রাথমিক বুদ্ধির বিকাশ পরিবারের উপর নির্ভর করে। আর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বিকাশ শিক্ষকদের উপর। শিক্ষা নারীদের বড় শক্তি। বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাই বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে দেশে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি) পূরণ করা সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে পবা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক যোগাযোগ কার্যক্রম’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. হুমায়ুন কবীর, শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতা বৃদ্ধির দায়িত্ব পরিবারকে নিতে হবে। পিতা-মাতার স্বপ্ন পূরণে সন্তানদের সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। সেজন্য পিতা-মাতার দায়িত্ব সামাজিক বৈষম্য দূর করার পাশাপাশি সন্তানদের সকল বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়া। এই তথ্যগুলো সমাজের পরতে পরতে পৌঁছে দিতে হবে। সেই লক্ষ্যে উপস্থিত শিক্ষক, কর্মচারী ও জনপ্রতিনিধিদের এ দায়িত্ব নিতে হবে।

জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে উক্ত কর্মশালায় পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লসমী চাকমা’র সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা. মো. কাইয়ুম তালুকদার।

সিভিল সার্জন ডা. মো. কাইয়ুম তালুকদার মা ও শিশুর বিভিন্ন ধরনের সমস্যা উল্লেখপূর্বক সমস্যা সমাধানের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন। এছাড়াও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বাচ্চাদের উপস্থিত সকলকে স্বাভাবিক আচরণ করার আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, শিশুদের মানসিক বিকাশে তাঁর পরিবারকে উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মোহা. ফরহাদ হোসেন, উপজেলা পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ওয়াজেদ আলী খাঁন, জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক নাফেয়ালা নাসরিন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মোহা. ফরহাদ হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতায় আগামীতে রাজশাহী জেলায় তথ্য অফিস স্থাপন করা হবে। সেখানে সিনেপ্লেক্সের ব্যবস্থা থাকবে। ফলে চলচ্চিত্রের বিকাশে সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার দার উন্মোচিত হবে।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিভাগীয় কমিশনারের একান্ত সচিব মো. আবুল হায়াত, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ এহসান উদ্দীন, নওহাটা পৌরসভার মেয়র মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ, নওহাটা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ওমর আলী, নওহাটা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শামসুউদ্দিন প্রামানিক, রাজশাহীর এসিও সিনিয়র ম্যানেজার সেবাস্টিয়ান পিউরীফিকেশন, হরিয়ান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মফিদুল ইসলাম বাচ্চু, নওহাটা সরকারি কলেজের প্রভাষক আব্দুর রব বাবুসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ।