ওসিকে বলেও বাল্যবিয়ে বন্ধ হলো না আফসানার!

আপডেট: জুলাই ৬, ২০১৭, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ

দুর্গাপুর প্রতিনিধি


রাজশাহী দুর্গাপুর থানার ওসিকে বলেও বাল্যবিয়ে বন্ধ হয়নি আফসানার, অভিযোগ স্থানীয়দের। গত মঙ্গলবার রাতে অপ্রাপ্ত বয়েসে গোপনে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয় আফসানাকে। সারাদিন ছোটাছুটি করে সন্ধ্যার পরে জানতে পারে রাতেই আফসানার বিয়ে। অপরিপক্ক বয়সেই বরের হাত ধরে চলে যেতে হয়েছে শ্বশুরবাড়ি। আফসানা (১২) উপজেলার কাশিপুর গ্রামের আফসার আলীর মেয়ে। সে আলীপুর আলিম মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোপনে মাত্র ১২ বছর বয়সি মাদ্রাসার ছাত্রী আফসানার উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মনিকের ছেলে মুকুলের (২০) বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছিলো। এসময় স্থানীয় কয়েকজন লোক দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রহুল আলমের থানার সরকারি মোবাইল নম্বরে সন্ধ্যা ৭টা ২৫মিনিট ফোন দিয়ে আফসানার বাল্যবিয়ে বন্ধের অনুরোধ করেন।
ওসি তাদের অভিযোগ মনোযোগ সহকারে শোনার পরও দেখছি বলে আর কোন খোঁজ নেন নি বলে জানান স্থানীয়রা। পরে রাত ৮টার দিকে বর আসলে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয় আফসানাকে। বেছে নিতে হয়েছে সংসার জীবন।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আলম বাল্যবিয়ের অভিযোগ পাওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, বাল্যবিয়ে বন্ধে কেউ আমাকে জানায় নি। কেউ ফোন দিয়ে ছিলো কি না সঠিক মনে পড়ছে না। মঙ্গলবার সেদিন আমি রাজশাহীতে ছিলাম। তবে এরকম ঘটনা শোনা মাত্রই আমরা বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেই।