কঠোরতম লকডাউন: দ্বিতীয় দিনেও ফাঁকা নগরী

আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২১, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


গেলো কঠোরতম লকডাউনের দ্বিতীয় দিন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে এই লকডাউন। চলবে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত।
শনিবার (২৪ জুলাই) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রাজশাহী নগরীতে তেমন ছিলো না যানবাহনের উপস্থিতি। তবে স্বল্প পরিসরে রিক্সা চলতে দেখা গেছে ।
পুলিশ বলছে- মেডিকেলসহ জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া রিক্সা এগুলো। তবে সবাইকে চেকপোস্টে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হচ্ছে। সন্তোষজনক উত্তর না হলে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে।
এমন চিত্র নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে। তবে আগের যেকোনো লকডাউনের তুলনায় এবারের লকডাউন কঠোরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
নগরী ও উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে কিছু দূর পর পর দেওয়া হয়েছে ব্যারিকেড। এগুলোতে পুলিশ দাঁড়িয়ে গাড়ি থামিয়ে চেক করছে। জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হওয়া মানুষজনকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।
আবার যারা উপযুক্ত প্রমাণ হাজির করতে পারছেন না, তাদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে, যেদিক থেকে এসেছেন সেদিকে। প্রধান সড়কে যেমন যানবাহন চলাচল করছে না, তেমনি অলিগলিতেও রিকশা ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি।
সকাল ১০ টার দিকে, নগরীর চৌদ্দপায়া, বিনোদপুুর, কাজলা, তালাইমারী, ভদ্রা, রেলওয়ে স্টেশন, শহিদ কামারুজ্জামান চত্বর পর্যন্ত দেখা মেলেনি রিক্সার। এছাড়া নিউ মার্কেট, সাহেববাজার, শালবাগান, আলিফ লাম-মিম ভাটার মোড়, বায়া মোড় ও নওদাপাড়া আমচত্বর এলাকায় কয়েকটি রিক্সা দেখা গেছে। এছাড়া ঘোড়া চত্বর, লক্ষ্মীপুর, সিঅ্যান্ডবি মোড় এলাকায় তুলনামূলক বেশি রিক্সা দেখা গেছে।
তবে কোর্ট ও কাশিয়াডাঙ্গায় পুলিশের চেকপোস্টের কারণে সড়কে আসতে পারেনি রিক্সা। তবে অলিগলির রাস্তা ব্যবহার করে চলেছে রিক্সা। এই সব চেকপোস্টগুলোতে ট্রাফিক সার্জেন্ট ও পুলিশের কর্মতৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে।
বিষয়টি নিয়ে নগর পুলিশের মুখপাত্র গোলাম রুহুর কুদ্দুস জানান, সরকারের দেওয়া নির্দেশনা মতোই কাজ করছেন তারা। কঠোরতম লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে কাজ করছে পুলিশ।