বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

কমিউনিটি ক্লিনিকের বর্তমান, ভবিষ্যৎ এবং একটি ইনোভেশন

আপডেট: November 29, 2019, 1:20 am

মো. সিকান্দার আবু জাফর


১৯৭১ খ্রিস্টাব্দ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেখানো পথে মুক্তির সংগ্রামে লড়ছে বাঙালি জাতি। বিজয় অবশ্যম্ভাবী। এমনই মুহুর্তে বহু কূটকৌশলে অংশ নেয় পাকিস্তানি হানাদার, দখলদার এবং তাদের এ দেশীয় দোসররা। ধ্বংস করে দেয়া হয় বাঙালি জাতির অবকাঠামো সম্পদ, মেধাসম্পদ এবং হতে যাওয়া নতুন রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়ে পুড়ে ফেলা হয় বাঙালির ঘামে উপার্জিত ব্যাংকের জমানো সম্পদ। দুর্বল করে দেয়া হয় পৃথিবীর মানচিত্রে জন্ম নিতে যাওয়া নতুন রাষ্ট্রের অর্থনীতি। নানান সমস্যায় জর্জরিত হয়ে মাত্র ৪,৯৮৫ কোটি টাকার অর্থনীতি নিয়ে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর পথচলা শুরু করে পৃথিবীর নবীনতম রাষ্ট্র বাংলাদেশ। মাত্র এক বছরের মাথায় বাঙালি জাতি পেল বহু-আকাক্সিক্ষত শাসনতন্ত্র। সেই শাসনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ ১৫(ক)তে বলা হল-‘রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারনের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।’ আবার অনুচ্ছেদ ১৬ তে বলা হল-নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগত হ্রাস করার জন্য জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের আমূল রূপান্তর সাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অর্থাৎ সুদীর্ঘ অভ্যন্তরীণ ঔপনিবেশিক শাসন শেষে নিশ্চিত হল বাংলার মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার। এরই ধারাবাহিকতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অন্যান্য বিষয়ের মত রূগ্ন স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সরকার ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে প্রতি ৬০০০ জনগণের জন্য ১টি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠার ধারণাটি ছিল সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী ইনোভেশন। ২০০০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ এপ্রিল গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি ইউনিয়নের গিমাডাঙ্গায় প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিক। সেই থেকে শুরু করে বর্তমানে দেশের ১৩,৮৮১ টি কমিউনিটি ক্লিনিক গ্রামাঞ্চলে মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে। শুক্রবার ব্যতিত অন্য দিনগুলোতে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার ক্লিনিকে উপস্থিত থেকে সেবা প্রদান করেন। স্বাস্থ্যকর্মী এবং পরিবার কল্যাণ সহকারীগণ সপ্তাহে তিনদিন করে ক্লিনিকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তবে দুঃখজনক বিষয় হল কমিউনিটি ক্লিনিকের মত যুগোপযোগী ইনোভেশনে বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসায় রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কো-ট্রাইমোক্সাজল ,মেট্রোনিডাজল, পেনিসিলিন, অ্যামোক্সিসিলিন, ক্লোরামফেনিকল এর মত ড্রাগ প্রেসক্রাইব করা হয়ে থাকে। বিষয়টি অত্যন্ত বেদনাদায়ক কারণ অ্যান্টিবায়োটিকের যত্রতত্র ব্যবহারে মানবদেহে ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট এর প্রবণতা ভয়ানক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে আশংকা তৈরি হচ্ছে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের অর্থ ক্ষয়ক্ষতির। তাই এখন সময় এসেছে উন্নয়নের পথ থেকে উদ্যোগের কালো মেঘ দূর করার। কারণ বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং খুবই সুখকর সংবাদ হল ২০১২ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড (যখন কর্মক্ষম জনসংখ্যা নির্ভরশীল জনসংখ্যার চেয়ে বেশি)-এ প্রবেশ করেছে যা চলবে ২০৩৬ অথবা ২০৩৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। এ সুযোগ কোনো জাতির বেলায় একবারই আসে। তাই এ সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে বাংলাদেশ কখনোই উন্নত বিশে^র সারিতে প্রবেশ করতে পাবরে না। আফ্রিকা মহাদেশের অনুন্নত অনেক দেশের ক্ষেত্রে এমনটা ঘটেছে, যাদের আর উন্নতি করবার সুযোগ নেই। এই স্পর্শকাতর বিষয়টি উপলব্ধি করে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড এর সুযোগ কাজে লাগাতে হলে ২০৩০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে অন্যান্য খাতের মত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যখাতেও টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। স্বাস্থ্যসেবাখাতের ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা না গেলে কখনোই এসডিজি (SDG) এর লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না, কাজে আসবে না ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড। আর একটা বিষয় হল- সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়নের ফলে বেড়েছে মানুষের আয়, যোগাযোগের পরিধি, ঘটেছে জ্ঞানের বিস্তার একই সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে সময়ের মূল্য। ফলে প্রান্তিক পর্যায় থেকে শুরু করে শহরবাসী সর্বস্তরের জনগণের অল্প দূরত্বে ভাল সেবা পাওয়ার ক্ষুধা বেড়েছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে কমিউনিটি ক্লিনিকের বর্তমানে প্রচলিত কাঠামোতে প্রয়োজনীয় এবং যুগোপযোগী চিকিৎসাসেবা না পেয়ে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর একটা বৃহৎ অংশ এ সমস্ত ক্লিনিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। ফলে ছোট ছোট সমস্যার জন্য উপজেলা, জেলা এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে ভিড় বাড়ছে নজিরবিহীনভাবে। একই সাথে বড় হাসপাতালগুলোর চিকিৎসাসেবা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে ফলে সঠিক চিকিৎসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও সেবা প্রত্যাশী রোগিদের ভোগান্তি বাড়ছে। নষ্ট হচ্ছে দেশের মূল্যবান কর্মঘণ্টা। সুতরাং SDG এর লক্ষ্য অর্জনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী আবিষ্কার কমিউনিটি ক্লিনিক-এর কাঠামো পরিবর্তন করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনীয় ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার বিকল্প কিছু নেই। প্রসঙ্গক্রমে বলা যায়; টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের লক্ষ্যমাত্রা ৩.১ এ উল্লেখ করা হয়েছে-‘২০৩০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে বিশ্বব্যাপি মাতৃমৃত্যুর অনুপাত প্রতি লাখ জীবিত জন্মে ৭০ এর নিচে নামিয়ে আনা।’ ৩.২ অনুযায়ী, ২০৩০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে নবজাতক ও অনূর্ধ্ব ৫-বছর বয়সী শিশুর প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু বন্ধের পাশাপাশি সকল দেশের লক্ষ্য হবে প্রতি ১০০০ জীবিত জন্মে নবজাতকের মৃত্যুহার কমপক্ষে ১২-তে এবং প্রতি ১০০০ জীবিত জন্মে অনূর্ধ্ব ৫ বছর বয়সী শিশুমৃত্যুর হার কমপক্ষে ২৫-এ নামিয়ে আনা।’ লক্ষ্যমাত্রা দুটি সম্পূর্ণ অর্জন এবং সেই অর্জন ধরে রাখার ক্ষেত্রে অন্তঃসত্তা নারীদের প্রসব-পূর্ব, প্রসবকালীন এবং প্রসব-উত্তর (নবজাতকের সেবা) সার্বক্ষণিক বিশেষজ্ঞ অথবা অন্তত একজন এমবিবিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসকের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ খুব প্রয়োজন। তা না হলে উক্ত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং তা ধরে রাখা কখনোই সম্ভবপর হবে না। উপরন্তু প্রতিযোগিতামূলক পৃথিবীতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ এবং সুচিকিৎসার অভাবে শহরের শিশুদের তুলনায় গ্রামাঞ্চলের শিশুরা জন্মের পূর্বে ও পরের বিকাশ লাভের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হবে। যা বয়ে বেড়াতে হবে জীবনের শেষ পর্যন্ত। যেহেতু দেশের ৮০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে তাই গ্রামাঞ্চলে তীক্ষ্ম দৃষ্টি না দিলে কোনো অর্জনই সহজ হবে না। ফলে সংবিধানের ১৬ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা প্রতিশ্রুতির বাস্তনায়ন করা যাবে না। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে দেশ। আবার লক্ষ্যমাত্রা ৩.৩-এ উল্লেখ করা হয়েছে-২০৩০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এইডস, যক্ষ্মারোগ, ম্যালেরিয়া ও উপেক্ষিত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগসমূহের মহামারির অবসান ঘটানো এবং হেপাটাইটিস, পানিবাহিত রোগ ও অন্যান্য সংক্রামক ব্যাধির মোকাবেলা করা।’ এই লক্ষ্যমাত্রাটির কর্মপরিধি ব্যাপক। এর সঠিক অর্জনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । না হলে আশংকা থাকে মহামারির মত মানবিক বিপর্যয় ঘটার। অভীষ্টের এই লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি অর্জনে প্রান্তিক পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর জন্য একজন এমবিবিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসকের পাশাপাশি একজন বিডিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসকের প্রয়োজন সমান। এমনিতেই আমাদের দেশের গ্রাম পর্যায়ে মানুষ মুখ ও দাঁতের চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত ফলে মুখের ক্যান্সারের মত মরণ ব্যাধিতে মৃত্যু প্রায়ই দেখা যায়। আবার অধিকাংশ শিক্ষিত মানুষও জানে না যে, দাঁতের একটা ভাঙ্গা অংশ থেকেও হতে পারে টিটেনাসের মত যন্ত্রণাদায়ক সংক্রামক ব্যাধি। তাহলে সহজেই বুঝা যায়, গ্রাম পর্যায়ে এর অবস্থা কেমন হতে পারে। অথচ শুরুতে একটু চিকিৎসা এবং ভাল পরামর্শ পেলে সহজেই রোধ করা যায় মরণঘাতক ক্যান্সারসহ টিটেনাসের মত ব্যাধি। ২০৪১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হলে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড এর সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগাতে হবে। আর এর জন্য কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জরুরি সেবা এবং জটিল রোগের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শদানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সে অনুযায়ী, কেমন হওয়া উচিত বর্তমান ও ভবিষ্যতের কমিউনিটি ক্লিনিক ? দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে জনমিতিক হারে (যে অঞ্চলে জনসংখ্যা বেশি সেখানে বেশি) পর্যাপ্ত সংখ্যক এমবিবিএস/বিডিএস ডাক্তার নিয়োগ দেয়া দরকার যাতে নিয়ম অনুসারে একজন করে ডাক্তার নির্দিষ্ট দিনে কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে সেবা গ্রহণকারীদের সেবা দিতে পারে। আর এ জন্য কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির যোগান নিশ্চিত করা দরকার। যেহেতু দেশ ভবিষ্যতে সম্পূর্ণরূপে ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে তাই গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায়ও হতে হবে ডিজিটালাইজেশন। সেজন্য ভবিষ্যতে জাতীয় ডেটাবেইজড তৈরি করে স্বাস্থ্যকার্ড চালু করতে হবে। যে কার্ডে থাকবে একজন ব্যক্তির জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল প্রকার চিকিৎসাপত্রের যাবতীয় বিবরণ যেমন- কবে কোথায় চিকিৎসা নিয়েছেন, কী কী ওষুধ সেবন করেছেন, প্রতিনিয়ত কী কী ওষুধ সেবন করেন, শল্যচিকিৎসা নিয়ে থাকলে কোথায় কোন চিকিৎসক করেছেন, কোন হাসপাতাল থেকে কে রেফার করেছেন ইত্যাদি। এর ব্যবস্থা করতে হলে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে আইসিটি কর্মী নিয়োগদানের মাধ্যমে এবং ঘুমিয়ে যাওয়া পোস্ট অফিসগুলোকে আইসিটি সেন্টারে রূপান্তরের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত এসব তথ্য জাতীয় ডেটাবেইজড-এ সংযুক্তকরণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। গোপন রোগের ক্ষেত্রে ক্ষেত্র-বিশেষে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে অথবা আপলোডের আওতামুক্ত থাকবে। এমনটা নিশ্চিত করা গেলে দেশে তৈরি হবে ভাল চিকিৎসা পদ্ধতি, ভাল রেফারেল পদ্ধতি, থাকবে না ভুল চিকিৎসা, থাকবে না রোগীদের অহেতুক ভোগান্তি, বাড়বে রোগিদের আস্থা আর অপচয় থেকে বাঁচানো যাবে রাষ্ট্রের মূল্যবান সম্পদ।
সংবিধানে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ২০৪১ খ্রিস্টাব্দের উন্নত বাংলাদেশে ডিজিটাল কমিউনিটি ক্লিনিক হতে পারে বিশে^র সকল দেশের স্বাস্থ্যসেবায় অনন্য মডেল।
লেখক: সহকারী তথ্য অফিসার, আঞ্চলিক তথ্য অফিস, রাজশাহী