কমেছে মুরগির দাম, বেড়েছে সবজির

আপডেট: আগস্ট ৭, ২০২০, ১০:১৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


পবিত্র ইদুল আজহার কয়েকদিন আগে থেকেই কিছুটা কমেছে মুরগির দাম। আগের মতোই আছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। তবে বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতায় গাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ার অজুহাতে দাম বেড়েছে সবজির। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৃষ্টিতে পচন ধরে খেতে নষ্ট হচ্ছে সবজিসহ গাছ। এতে চাহিদার তুলনায় যোগান কম থাকায় সবজির দাম বাড়তি।
গতকাল শুক্রবার (৭ আগস্ট) নগরীর সাহেববাজার ও মাস্টারপাড়া ঘুরে দেখা যায়, বাজারে প্রায় সবধরনের সবজির দাম বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। ঝাঁজ ছড়াচ্ছে কাঁচা মরিচ। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দাম। বাজারে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে। গাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সামনের দিনগুলোতে মরিচসহ সবজির দাম আরও বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করছেন সবজি ব্যবসায়ীরা।
এদিকে, খাসি ও গরুর মাংসের দাম আগের মতো থাকলেও ব্রইলার মুরগি ও সোনালি মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। ব্রইলার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১১৫ টাকা ও সোনালি মুরগি ২৪০ টাকা। এছাড়া খাসির মাংস প্রতিকেজি ৮২০ টাকা এবং গরুর মাংস ৫৫০ টাকা।
এদিন, প্রতিকেজি আলু বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, কাকরোল ৫০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, কলা প্রতিহালি ২০ টাকা, ঢেঢ়শ ৩০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, শশা ৩০ থেকে ৫০ টাকা, লেবু প্রতিহালি ১০ থেকে ১৫ টাকা, কচু ৫০ টাকা, কচুর লতি ৩৫ টাকা, ভেন্ডি ৪০ টাকা, ঝিংগা ৪০, ডুমুর ৪০ টাকা, লাউ ৫০ টাকা পিস, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকাসহ সকল শাক ৪০ টাকা কেজি। এছাড়া পেঁয়াজ ৪০ টাকা, রসুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, আদা ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
সাহেববাজার এলাকার সবজি বিক্রেতা লিটন আলী জানান, ইদের আগে সবজির দাম কম ছিলো। সে সময় করোনার কারণে অনেকে সহযোগিতা পাওয়ায় বাজারে সবজির চাহিদাও কমে গিয়েছিলো। আর এখন বৃষ্টির কারণে সবজিতে পচন ধরেছে। এতে যোগান কম হওয়ায় দামও কিছুটা বেড়েছে।
অন্যদিকে, নগরীর সাহেববাজার মাছের আড়ত ঘুরে দেখা যায়, হাতেগোনা কয়েকজন ব্যবসায়ী মাছ বিক্রি করছেন। ইদের পর এখানো তেমন বেচাকেনা শুরু হয়নি বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তবে আগের চেয়ে মাছের দাম বেড়েছে বলে জানায় তারা।
মাছ ব্যবসায়ী জাহিদ হাসান জানান, ইদের আগের চেয়ে এখন মাছের দাম বেশি। বাজারে এখন মাছের যোগান কম; গ্রাহকও কম। তবে বেশি দামেই তাদের মাছ কিনতে হচ্ছে। আর নদীর মাছ সকালে কেনাবেচা হচ্ছে। নদীর মাছের দাম দিনে কয়েকবার ওটানামা করে।
এদিন, সাহেববাজারে প্রতিকেজি ইলিশ ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল মাছ ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা, শিং মাছ ২০০ টাকা, কই মাছ ২০০ টাকা ও পাঙ্গাস ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ