কম্বোডিয়ার বিপক্ষে জয়ের হ্যাটট্রিক বাংলাদেশের

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


কম্বোডিয়ার বিপক্ষে বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) মাঠে নামার আগে জামাল ভূঁইয়ারা প্রেরণা খুঁজে নিয়েছিলেন সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপজয়ী সাবিনা খাতুনদের কাছ থেকে। হতাশ করেননি জামালরা। উইঙ্গার রাকিবুল হোসেনের একমাত্র গোলে বৃহস্পতিবার ফিফা প্রীতি ম্যাচে কম্বোডিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। কম্বোডিয়ার বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের টানা তৃতীয় জয়। সব মিলিয়ে দুই দলের পাঁচ সাক্ষাতে চারবারই জিতেছে বাংলাদেশ। অন্য ম্যাচটি ড্র। কম্বোডিয়ার বিপক্ষে ৫ ম্যাচে ৬ গোল করেছে বাংলাদেশ, খেয়েছে দুটি।

দুই দলের সর্বশষে সাক্ষাৎ ছিল ২০১৯ সালের মার্চে কম্বোডিয়ার নমপেনের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে। রবিউল হাসানের একমাত্র গোলে সেই ম্যাচ জিতেছিল বাংলাদেশ। তার আগের জয়টি আসে ২০০৯ সালে। সেই ফিফা প্রীতি ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছিল ১–০ গোলে।

বৃহস্পতিবারের ফিফা প্রীতি ম্যাচটি নমপেনে হলেও ভেন্যু ছিল মোরোদোক টেকো ন্যাশনাল স্টেডিয়াম। ম্যাচের শুরু থেকে পাল্টাপাল্টি আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। স্বাগতিক কম্বোডিয়া গোলের খোঁজে বারবারই আসতে চাইছিল বাংলাদেশের বক্সে। দুই–তিনবার গোলের সুযোগও তারা তৈরি করেছিল। বাংলাদেশও সুযোগ পেয়েই উঠেছে প্রতি-আক্রমণে।

১৫ মিনিটে বিশ্বনাথের লম্বা থ্রোয়ে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া প্রায় ফাঁকায় বল পেয়ে যান। কিন্তু বলটা জালে রাখতে পারেননি। তাঁর টোকা চলে যায় পোস্টের বাইরে দিয়ে। এরপরই পরিকল্পিত আক্রমণে গোল পেয়েছে বাংলাদেশ। প্রায় মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে দ্রুতগতিতে মতিন মিয়া এগিয়ে যান কম্বোডিয়ার বক্সের দিকে। অনেকটা দূর এগিয়ে তিনি বল বাড়ান রাকিবকে উদ্দেশ করে। রাকিবও সঙ্গে থাকা ডিফেন্ডারকে ছিটকে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন। অসাধারণ প্লেসিংয়ে বক্সের প্রায় ওপর থেকে ২৩ মিনিটে ১-০ করেন রাকিব।

গোল শোধের অনেক চেষ্টাই করেছে কম্বোডিয়া। কিন্তু বাংলাদেশের রক্ষণ ও গোলকিপার আনিসুর রহমান ছিলেন সতর্ক। অন্যদিকে দ্বিতীয় গোলের খোঁজে আক্রমণে যায় বাংলাদেশও। ৭৬ মিনিটে বাংলাদেশ দ্বিতীয় গোলটি পেয়েও যেত পারত। মতিন মিয়ার দুর্দান্ত শট ফিরে এসেছে ক্রসবারে লেগে।

২০১৯ সালের মতো আজকের ম্যাচের আগেও বাংলাদেশ ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের ১৯২তম স্থানে। ২০১৯ সালে কম্বোডিয়া ছিল ১৭২ নম্বরে, বর্তমানে ১৭৪ নম্বরে।

গের দিন সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাঙ্কিংকে খুব একটা পাত্তা দেননি বাংলাদেশের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের মতোই আরেকটি দলের সঙ্গে ভালো একটা ম্যাচ খেলতে যাচ্ছি। ওরা তো আমাদের চেয়ে খুব একটা এগিয়ে নেই, তাই আমি বলব ৫০-৫০ একটা ম্যাচ হবে। হ্যাঁ, র‌্যাঙ্কিংয়ে ওরা এগিয়ে আছে। তবু আমি এটাকে ৫০-৫০ ম্যাচই বলব।’ জামাল এর সঙ্গে যোগ করেছিলেন, ‘সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে গোল করতে হবে আমাদের। কম্বোডিয়া দলটি বেশ উদ্যমী ও আত্মবিশ্বাসী। আমরা চেষ্টা করব ওদের আত্মবিশ্বাস নষ্ট করতে।’

বাংলাদেশের কোচ হিসেবে আগের ছয় ম্যাচে চারটি হেরেছিলেন হাভিয়ের কাবরেরা। দুটি হয়েছে ড্র। অবশেষে সপ্তম ম্যাচে এসে জয় পেলেন তরুণ স্প্যানিশ কোচ।- প্রথম আলো অনলাইন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ