করোনায় জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৭ শতাংশ

আপডেট: জুন ১৬, ২০২১, ৭:১০ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


২০২০ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ ও পণ্য ও সেবার সার্ভিসের মূল্য বেড়েছে ৬ দশমিক ৩১ শতাংশ। পূর্ববর্তী ২০১৯ সালে এই বৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।
২০১৮ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্য বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৬ দশমিক ০ শতাংশ এবং ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ।
দেখা যায়, বিগত ৩ বছরের মধ্যে ২০২০ সালে রাজধানীতে জীবনযাত্রার ব্যয় সর্বাধিক বেড়েছে।
বুধবার (১৬ জুন) কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতি বছরের শুরুতে বিগত বছরের রাজধানীতে জীবনযাত্রার ব্যয় এবং ভোক্তা স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রাসঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের প্রতিবেদন করোনা মহামারি এবং অনিবার্য অন্যান্য কারণে বেশ বিলম্বে উপস্থাপন করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী ঢাকার ১৫টি খুচরা বাজারে বিভিন্ন সেবা সার্ভিস এর মধ্যে থেকে ১১৪ টি খাদ্যপণ্য, ২২টি নিত্য ব্যবহার্য সামগ্রী এবং ১৪টি সেবা সার্ভিসের সংগৃহীত মূল্য থেকে দেখা যায়, ২০২০ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ ও পণ্য ও সেবার সার্ভিসের মূল্য বেড়েছে ৬ দশমিক ৩১ শতাংশ।
অন্যদিকে এ সময়ে করোনা মহামারির প্রভাবে নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের আয়-রোজগার ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। ফলে ২০২০ সালে নিম্ন ও নিম্নমধ্য বিত্ত ভোক্তাদের জীবনমান বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রতিবেদনে যেসব পণ্যের দাম বেড়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে, ২০২০ সালে চালের গড় মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ২০ শতাংশ, দেশীয় আমদানি করা ডালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ১৪ দশমিক ১৮ শতাংশ, মসলার দাম গড়ে বেড়েছে ২৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। শাক-সবজির দাম বেড়েছে ৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ, গরু ও খাসির মাংসের দাম বেড়েছে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ মুরগির দাম ১০ দশমিক ৮৩ শতাংশ আর ডিমের দাম বেড়েছে ৫ দশমিক ৩২ শতাংশ, মাছের মূল্য বেড়েছে ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ, গুঁড়া দুধের দাম ৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ, নিম্ন নিম্ন মধ্যবিত্তের গড় বাড়ি ভাড়া বেড়েছে ৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ, শাড়ি-কাপড়ের দাম বেড়েছে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ, ওয়াসা পানির প্রতি হাজার লিটারের দাম বেড়েছে ২৫ শতাংশ, আবাসিক বিদ্যুৎ এর গড় মূল্য বেড়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ এবং বাণিজ্যিক বিদ্যুতের মূল্য বেড়েছে গড়ে ৪ দশমিক ৮১ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: বাংলানিউজ