করোনা ভাইরাসের প্রভাবে লোকশান গুনছেন খামার মালিক মহাদেবপুরে ডিম উৎপাদনে জেলার সর্ববৃহৎ নাজিব পোল্ট্রি খামার

আপডেট: জুন ১৫, ২০২১, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ

এম. সাখাওয়াত হোসেন, মহাদেবপুর:


নওগাঁর মহাদেবপুরে ডিম উৎপাদনে জেলার সর্ববৃহৎ নাজিব পোল্ট্রি খামার। এ খামারে ডিম উৎপাদনের জন্য প্রায় ৫০ হাজার মুরগি রয়েছে। এখারে দুটি ক্যাটাগরিতে ডিম উৎপাদন করা হয়। এখানে মানুষের খাবারের জন্য বাজারে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ডিম উৎপাদন ও মুরগির বাচ্চা উৎপাদনের জন্য ডিম উৎপাদ করেন। মানুষের খাবারের জন্য বাজারে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রায় ২০ হাজার ৩শত ৮০ টি মুরগি ও মুরগির বাচ্চা ফুটানোর জন্য ১৭ হাজার মুরগি রয়েছে। এছাড়াও ডিম উৎপাদনের আগাম প্রস্তুতি হিসাবে ১৩হাজার মুরগি রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই খামার মালিক। দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণসহ জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন এসব পোল্ট্রি শিল্প। অন্যান্য শিল্পের মতই প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের প্রভাব পরেছে পোল্ট্রি শিল্পেও। গত ১৪-১৫ মাস ধরে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে পোল্ট্রি খামারেরও আর্থিকভাবে ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন নাজিব পোল্ট্রি খামারের মালিক মো. আইনুল ইসলাম। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে প্রায় ১৫ মাস ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বাজারে ডিমের চাহিদা তুলনামূলক ভাবে অর্ধেকে নেমে এসেছে। একটি ডিম উৎপাদনে যে টাকা ব্যায় হয় তার চেয়ে কম মূলে ডিম বাজারে পাইকারী বিক্রয় করতে হচ্ছে। ফলে প্রতিদিনই লোকশান গুনতে হচ্ছে আমার মতো খামার মালিকদের। এভাবে চলতে থাকলে অনেক পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, খামার মালিকদের সরকারিভাবে প্রনোদনা দিলেও বড় খামারিদের তেমন একটা কাজে আসেনি। বিষয়টি পুনবিবেচনার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. গোলাম রাব্বানি জানান, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে পোল্ট্রি খামার মালিকদের আর্থিকভাবে ক্ষতি হলেও অচিরেই তা কাটিয়ে উঠবে বলে আমি মনে করি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ