‘কাঁদা ছোড়াছুড়ি’ বন্ধ করার আহ্বান জাতীয় ফুটবলারদের

আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০১৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক
সমস্যা চিহ্নিত করে সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে বের করা ও ফুটবল অঙ্গনে নিজেদের মধ্যে কাঁদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা। গতকাল রোববার একটি স্থানীয় হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান তারা।
সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে অধিনায়কত্ব করা মামুনুল ইসলাম তুলে ধরলেন সামগ্রিক অবস্থা, ‘ভুটানের কাছে হারার পর আমরাই কিন্তু সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেয়েছি। ওই হারের পর থেকে ঘুম নেই, মুখে হাসি নেই কারও। দশ বছর ধরে আমরা খেলছি, ভালো-মন্দ আমরাই করেছি। এসএ গেমসে জিতেছি, লেবাননকে হারিয়েছি। এখনকার পরিস্থিতিতে বাবা-মা আর তার সন্তানকে ফুটবলার বানাতে চাইবে না। এমন কাঁদা ছোড়াছুড়ি চলতে থাকলে আর নতুন কোনও জেনারেশন সৃষ্টি হবে না। তবে একটি হারে সব কিছু শেষ হযে যায় নি, আমাদের কঠিন পরিশ্রম করতে হবে।
অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার জাহিদ হাসান এমিলির মতে, বাজে সময় চলছে ফুটবলের। তবে এ জন্য একে অপরকে দোষ দিয়ে লাভ নেই বলে মনে করেন তিনি, ‘আমরা একটা বাজে সময় পার করছি। সাফের পর বাংলাদেশ ও আমরা ভালো ফল করিনি সত্যি, কিন্তু এই না যে ফুটবল শেষ হয়ে গেছে। কাঁদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করে তাদের বরং এগিয়ে এসে সহযোগীতার মধ্য দিয়ে ফুটবলকে এগিয়ে নিতে হবে। সমম্যা সমাধানে সাবেক খেলোয়াড়দের দায়িত্ব আছে।’
ডিফেন্ডার আতিকুর রহমান মিশু চান সব পর্যায়ের যুব দল, ‘সমালোচনাই সমাধান নয়। বাফুফের সবাই পদত্যাগ করলেই কি সমাধান বেরিয়ে আসবে? আমরা খেলোয়াড়রাও তো মানুষ। ব্যর্থতার কথা শুনতে আমাদেরও খারাপ লাগে, যা হওয়ার হয়ে গেছে। আমি মনে করি সকল পর্যায়ে যুব দল থাকতে হবে এবং তাদের যথাযথভাবে তৈরি করতে হবে।’
জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক বিপ্লব ভট্টাচার্য্যের কন্ঠে আক্ষেপ, ‘১৬ বছর জাতীয় দলের হয়ে খেলেছি। ভুটানের হারের পর আজ সামাজিক ও পারিবারিকভাবে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। সাবেক খেলোয়াড়, বড় ভাইরা সাংবাদিক সম্মেলন করছেন, কিন্তু ফুটবল উন্নয়নে কোনও কাজ করছেন না। কাউকে তো একটা একাডেমি  করতে দেখলাম না নিজ জেলায়, কখনো ফুটবলকে জাগানোর চেষ্টা করছেন তারা? জেলা পর্যায়ে ফুটবলের জাগরণ না আনলে চিত্র বদলাবে না।’-বাংলা ট্রিবিউন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ