কালোবাজারে টিকিট কিনে ফেসবুক পোস্ট, তদন্ত কমিটি

আপডেট: মে ৯, ২০২২, ১০:১৩ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীতে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি বন্ধে তৎপরতা বাড়িয়েছে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। কালোবাজারি বন্ধে খোদ পশ্চিমাঞ্চল রেলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মাঠে কাজ করছেন। এরমধ্যেই তিনগুন বেশি দামে কালোবাজারে টিকিট কিনে এক যাত্রী ফেসবুক পোস্ট দেন।

যে পোস্ট পশ্চিমাঞ্চল রেলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) অসীম কুমার তালুকদারের নজরে আসে। ওই যাত্রীর পোস্টকে কেন্দ্র করে কালোবাজারে টিকিট বিক্রেতাকে শনাক্তে রোববার (৮ মে) জিএম অসীম কুমার তালুকদার এক অফিস আদেশে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছেন।

শুক্রবার পশ্চিমাঞ্চল রেলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) অসীম কুমার তালুকদার নিজে রাজশাহী-ঢাকা রুটের সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে তিনটি টিকিট সংগ্রহ করেছিলেন। ওই টিকিট কালোবাজারে বেশি দামে কেনা বলে যাত্রীরা জানিয়েছিলেন। ওই টিকিট কে সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রি করেছে তা জানতেই এই তদন্ত কমিটি। পশ্চিমাঞ্চল রেলের ডেপুটি চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার গৌতম কুমারকে আহ্বায়ক ও জেলা সংকেত প্রকৌশলী (ডিএসই সদর) আহমেদ ইসতিয়াক জহুরকে সদস্য করে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জিএম অসীম কুমার তালুকদার জানান, ৫ কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এই প্রতিবেদনে মাধ্যমে কে টিকিট কেটে বিক্রি করেছেন তা জানা যাবে। এরপর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও জানান, এক ব্যক্তি ফেসবুকে টিকিটের ছবি দিয়ে তিনগুণ দামে টিকিট সংগ্রহের পোস্ট দেন। সেদিনই তিনি ওই যাত্রীদের থেকে তিনটি টিকিট সংগ্রহ করেছেন। এখন টিকিট কাটতে জাতীয় পরিচয়পত্র লাগে। অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্রে কেনা টিকিটে ভ্রমণ করাও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। তাই সেদিন কালোবাজারে টিকিট নিয়ে ভ্রমণ করা যাত্রীদের কাছ থেকে ৪০০ টাকা করে নতুন টিকিট দেওয়া হয়েছিল।

জিএম অসীম কুমার তালুকদার জানান, কার জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ওই তিনটি টিকিট কাটা হয়েছিল তা তদন্ত কমিটি উদঘাটন করবে। তাহলেই কালোবাজারে টিকিট বিক্রেতাকে পাওয়া যাবে। এরসঙ্গে রেলের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত থাকলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ