কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে ৪২ বছরের কারাদন্ড

আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২১, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


জয়পুরহাট সদর উপজেলার হরিপুর গ্রামে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর (১৩) আত্মহত্যার ঘটনার মামলার রায়ে ধর্ষকের ৪২ বছরের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে জয়পুরহাটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. রুস্তম আলী এই রায় দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল।
কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামির নাম মাসুদ রানা। তিনি হরিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৩০ জুন দুপুরে জয়পুরহাটের হরিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের কিশোরী খাদিজা বেগম বাড়ির পাশে নিজেদের খেতে যায়। সেখানে তাকে একা পেয়ে পার্শ্ববর্তী পাটখেতে নিয়ে ধর্ষণ করেন মাসুদ। কিশোরীর চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসলে মাসুদ পালিয়ে যান।
ওই ঘটনার একদিন পর ২ জুলাই খাদিজা নিজ শয়নকক্ষে বিষপানে আত্মহত্যা করে। পরে তার বাবা হেলালুদ্দিন বাদী হয়ে পরদিন ৩ জুলাই জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করেন।
দীর্ঘ শুনানি শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক ধর্ষকের বিরুদ্ধে ৪২ বছরের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন।
আসামি মাসুদ রানা পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতেই আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল মামলাটি পরিচালনা করেন।
অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল জাগো নিউজকে বলেন, ‘২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন/সংশোধিত ২০০৩ এর ৯/১ ধর্ষণ ধারায় যাববজ্জীন অর্থাৎ ৩০ বছর এবং ৯/ক ধারায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার জন্য ১০ বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে, দুই ধারাতেই এক লাখ করে দুই লাখ অর্থদন্ড দিয়েছেন আদালত। অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে ৪২ বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন বিচারক।’
তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ