কিশোরী কন্যার বিনিময়ে দ্বিতীয় স্ত্রী ঘরে আনল পাক যুবক

আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০১৭, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



সদ্য যৌবনে পা দিয়েছিল মেয়েটা। কিন্তু তাঁর নিজের জীবনের জন্য তা যতটা না সুখের, তার থেকেও বেশি সুখ আনল বাবার জীবনে। কেননা নিজের মেয়ের বিনিময়েই ঘরে দ্বিতীয়বার বউ আনল পাক যুবক ওয়াজির আহমেদ।
অবাক করা এ কা- পাকিস্তানের। তবে সাধারণভাবে চমকে দিলেও পাকিস্তানের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ কিন্তু খুব চালু একটা প্রথা। উর্দুতে যাকে বলা হয়, ‘ওয়াত্তা সাত্তা’। অর্থাৎ দেয়া নেয়া। এক পরিবার তার ঘরের মেয়েকে অন্য পরিবারে দিতে পারে। বিনিময়ে নিতে পারে সেই ঘরের মেয়ে। রজঃস্বলা নারীদের দিয়েই চলে এই বিনিময় প্রথা। কারণ অবশ্য পুত্রসন্তান। যদি কোনও বাড়িতে পুত্রসন্তান না হয় তাহলেই সে বাড়ির মেয়ে বিনিময় প্রথায় চলে যায়। ঘরে আসে বউ। যাকে পুত্র জন্ম দেয়ার যন্ত্রে পরিণত হতে হয়।
এ প্রথায় অবশ্য বিশেষ বিচলিত নন ওয়াজিররা। কেননা সঙ্গে আছে ইসলামের রক্ষাকবচ। তাদের বিশ্বাস, ইসলাম এই প্রথাকে সমর্থন করে। আর তাই অনায়াসেই চলে মেয়েদের বিনিময়। ঠিক যেমনটি ঘটেছে ওয়াজিরের ক্ষেত্রে। বন্ধু রমজানের হাতে সে তুলে দিয়েছে তার কিশোরী কন্যাকে, পরিবর্তে রমজানের বোন সাইমাকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেছে।
নারীদের অবশ্য এ নিয়ে আক্ষেপ আছে। তাঁদের কথায়, মেয়েরা আসলে পরিবারের বোঝা। ছেলেরাই সম্পদ। আর অনিচ্ছা থাকলেও তাই তাঁদের এই প্রথা মেনে নিতেই হয়।- সংবাদ প্রতিদিন