কুড়িগ্রামে ৬৫ হাজার মানুষ পানিতে আটকা

আপডেট: জুলাই ৮, ২০১৭, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


কুড়িগ্রামে ধরলা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমর, হলহলিয়া, সোনাভরি ও জিঞ্জিরামসহ ১৬টি নদ-নদীর পানি দিন দিন বেড়েই চলেছে। পানি বৃদ্ধির ফলে নিম্নাঞ্চলে দেখা দিয়েছে বন্যা।
বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলার চর ও দ্বীপচরগুলোতে বন্যার পানি হু হু করে প্রবেশ করছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৬৫ হাজার মানুষ। পানিবন্দিদের পাশে এখনও কেউ সহযোগিতার হাত বাড়ায়নি।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও ধরলার পানি ধরলা ব্রিজ পয়েন্টে ৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়াও দুধকুমার নদীর পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে ১৭ সেন্টিমিটার ও কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি ৪১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১ দশমিক ১৭ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধারের জন্য সরকারি বা বেসরকারিভাবে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
নাগেশ্বরী, উলিপুর, রৌমারী, চিলমারী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, নিচু এলাকায় সৃষ্ট বন্যার ফলে এই ৫ উপজেলায় প্রায় ৬ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়েছে।
সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী সরকার জানান, বন্যায় ৫টি ওয়ার্ডে প্রায় ১৭শ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ব্রহ্মপুত্র তীরে যাত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি এখন হুমকির মুখে। এখন পর্যন্ত সরকারি বা বেসরকারিভাবে সহায়তার কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. ফেরদৌস খান জানান, এলাকার মানুষ বন্যা পরিস্থিতির সঙ্গে বহুকাল ধরে খাপ খাইয়ে আছে। এখনই আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই। বন্যা মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ