কুয়াশার চাদরে মুড়েছে রাজশাহী

আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২১, ১০:০৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :


সকালে কুয়াশার চাদরে মুড়ে ছিল রাজশাহী। আর বেলা গড়ালেই সূর্যোদয় হলেও আড়মোড়া ভেঙে সারা দিনে সজীব হয়ে উঠতে পারেনি সবুজ-শ্যামল প্রকৃতি। মাঘের সকালে দাপুটে হয়ে উঠে শীতের প্রকোপ। রাজশাহীতে বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৬:৫০ মিনিটে। তবে সকাল সাড়ে ১০ টার সময়ও মেলেনি সূর্যের দেখা। উত্তরের হিমেল হাওয়া কাঁটা দিচ্ছি শীতার্ত মানুষের শরীরে। সপ্তাহ ঘুরে যতই দিন যাচ্ছে তাপমাত্রার পারদ ততই নিচে নামছে। এই ঘন কুয়াশা কেটে গেলে আবার হালকা বৃষ্টি হতে পারে! সে ক্ষেত্রে বাড়বে মানুষের জনদুর্ভোগ। এমনটাই পূর্বাভাস আবহাওয়া অফিস।
এদিকে, ঘন কুয়াশার চাদরে প্রকৃতি ঢাকা পড়লেও জীবিকার তাগিদে খুব সকালে বের হয়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। তবে ঘন কুয়াশায় সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। তাই মহাসড়কের দূরপাল্লার যানবাহন চলছে ধীরগতিতে। কুয়াশার কারণে বর্তমান সড়কপথে দৃষ্টিসীমা ১০০ মিটারের নিচে নেমে এসেছে। এর কারণে সড়কের যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। ঘন কুয়াশার জন্য দুর্ঘটনা এড়াতে গতি কমেছে ট্রেনেরও। ফলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের আন্তঃনগরসহ বিভিন্ন রুটের ট্রেনের শিডিউল ভাঙতে শুরু করেছে এরই মধ্যে।
বিলম্বে চলার কারণে সময় অপচয় হচ্ছে রেলপথ যাত্রীদের। ক’দিন থেকে রাজশাহী-ঢাকা, ঢাকা-রাজশাহী, খুলনা-রাজশাহীসহ বিভিন্ন রুটের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর নির্ধারিত সময় ঠিক রাখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে বৈরী আবহাওয়ায় রাজশাহী-ঢাকা ও ঢাকা-রাজশাহী রুটের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর সিডিউল আবারও নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। উত্তরের সড়ক পথেও একই অবস্থা। দুর্ঘটনা এড়াতে ভোরে সড়ক-মহাসড়কগুলোতে ছোট-বড় যানবাহনগুলোকে চলাচল করতে হচ্ছে ধীর গতিতে। ফগ লাইট ব্যবহার করেও চালকরা বাসের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন। কুয়াশার কারণে অনেক সড়কের বাঁক চোখে পড়ছে না চালকদের।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক আনোয়ার বেগম বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় রাজশাহীতে সর্বনিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে- ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন গত বুধবার ছিল ১৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর গত মঙ্গলবার ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ