কৃষ্ণচূড়ার আগুন রূপ প্রকৃতিতে

আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০১৭, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ

কৃষ্ণচূড়া গাছে উজ্জল সবুজ ঝিরি ঝিরি পাতা একে অন্যরকম দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্য দান করে। শুধু মাত্র সৌন্দর্য নয় বরং এর ঝাপটে আসে কৃষ্ণচূড়ার লাল ফুল। দূর থকে দেখা যায় শুধুই লালের লীলা, অল্প যা কিছু পাতা থাকে তা লজ্জায় লাল হয়ে মিলয়ে যায় লালের সাথেই। ছবিটি নগরীর রাজশাহীর রেলওয়ে স্টেশন থেকে তোলা-সোনার দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক


কৃষ্ণচূড়া লাল হয়েছে ফুলে ফলে, তুমি আসবে বলে। ছড়া হোক আর কবিতা বা গানই হোক কৃষ্ণচূড়া যে মানুষের মনে নতুনের দোলা দেয় নিঃসন্দেহে। সেই কৃষ্ণচূড়া আবার কখনো আগুন। তাই তো কৃষ্ণচূড়া আগুন তুমি আগুন ঝরা বানে, খুন করেছ শূন্য তোমার গুন করেছ গানে। সত্যিই কবিতা বা গানের ছন্দে কৃষ্ণচূড়াকে বরণ করে নিয়েছে প্রকৃতি। কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতিকে রাঙিয়ে দিতে নিজের সবটুকু রঙ ছড়াতে শুরু করেছে।

চলছে প্রাণের উৎসবের মাস বৈশাখ। বৈশাখ হলেও আগে পরে হালকা বৃষ্টি হয়েছে কয়েকদিন। শুধু তাই নয়, চলে যাওয়া শীতের নতুন পরানো ঝরা পাতাকে ঝাঁপিয়ে মেলে ধরেছে তার লুকিয়ে রাখা সবটুকু রঙ। কৃষ্ণচূূড়ার যেনো আগুন রাঙা রূপের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে প্রকৃতিতে।
এরই মধ্যে নগরীর ঘোষপাড়া মোড়, জিপিও, ভদ্রা এলাকা, বিসিক শিল্প নগরীর সপুরা এলাকায়, শিরোইল কলোনি, কোর্ট, পুলিশ লাইন, শ্রীরামপুর এলাকায় কৃষ্ণচূড়ার গছে ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে। আর সেই রঙ ছড়িয়ে দিচ্ছে প্রকৃতিতে।
বাংলাপিডিয়া থেকে জানা যায়, কৃষ্ণচূড়া Caesalpinieae গোত্রের Delonix regia প্রজাতির আকর্ষণীয় ফুলবিশিষ্ট গাছের সাধারণ নাম। এ গাছ মধ্যম থেকে লম্বা গড়নের মাথা ছড়ানো। ফুল ফোটে এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত।
কমলা অথবা লাল রঙের আকর্ষণীয় ফুলের ডালের আগাছা গুচ্ছবদ্ধ। আগস্ট ও অক্টোবরের মাঝামাঝি ফল হয়। শুঁটি ৩০-৬১ সেমি লম্বা হয়। চমৎকার পাতা ও সুন্দর ফুলের জন্য সারাদেশে জনপ্রিয়। বাগান ও রাস্তার পাশে রোপণ করা হয়।