কেমন হবে বইয়ের তাক

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৭, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



বই মানুষের সব সময়ের বন্ধু। আর এই বন্ধুকে খুব যতেœ রাখাও আপনার দায়িত্বের কাজ। আপনার কর্তব্য তাকে ভালো জায়গায় রাখা। আপনি যে জ্ঞান তার থেকে ধারণ করেছেন তা ঠিক মতো প্রকাশ করা। একটি বই হতে পারে আপনার সারা জীবনের বন্ধু আর বাড়াতে পারে আপনার ঘরের সৌন্দর্য। তাই নান্দনিকতার আলোকে আপনার ঘরে থাকা বইয়ের তাকটি হওয়া চাই  ঠিক আপনার মনের মতো।
ছোট বাড়ি  হলে : এরকম বাড়িতে দেয়ালই শেষ ভরসা। তবে বর্তমানে রেডিমেড বইয়ের তাক পাওয়া যায়। যা আপনি অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবেন। এর বাইরে আপনি যদি মনের মতো করে বইয়ের তাক বানাতে চান তবে কারিগরের সাহায্য নিয়ে ডিজাইন করে নিতে পারেন। এছাড়া বাড়ির সিড়ির অপরদিকে কিংবা সিড়ির ফাঁকা জায়গাটিও আপনি আপনার বই রাখার তাক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
হাতের কাছে রাখুন : খুব উঁচু করে কিংবা খুব নিচু জায়গা বইয়ের তাক বানানো কিংবা রাখার জন্য নির্বাচন করবেন না। আর অবশ্যই খেয়াল রাখুন যাতে আপনি তাতে পর্যাপ্ত বই রাখতে পারেন। এর পাশাপাশি বই যেন পানি কিংবা দাহ্য কোন কিছুর সংস্পর্শে না আসে সেই স্থানটি নির্বাচন করুন।
বড় বাড়ি হলে : বড় বাড়ি হলে কোনো সমস্যা নেই। অনায়াসে একটি ঘর লাইব্রেরি বানিয়ে ফেলতে পারেন। পুরো ঘরজুড়েই করতে পারেন বই রাখার ব্যবস্থা। কিছু বই খোলা রাখলেন আবার কিছু বই বন্ধ আলমারিতে। চাইলে ক্যাটালগ করে রাখতে পারেন। এতে বই খুঁজে পেতে সুবিধে হবে।
একটু শৈল্পিকতা : এই ক্ষেত্রে আপনি আপনার মনকে প্রাধান্য দিবেন। যে ডিজাইন আপনার ভালো লাগবে, আপনি সেভাবেই বানিয়ে ফেলুন আপনার পছন্দের বইয়ের তাক। চাইলে প্রাচীন আমলের ডিজাইনগুলোও অনুসরণ করতে পারেন।
খরচাপাতি : কাঠের তাক বানাতে বা কিনতে চাইলে খরচ একটু বেশি পড়বে। ছোট মাপের বইয়ের তাকেরই দাম পড়বে প্রায় আট-নয় হাজার টাকার মতো। আর বড় মাপের বানাতে গেলে বার হাজার টাকার নিচে হবে না। তবে প্লাইউডের বানালে ছোট বইয়ের তাক তিন-চার হাজার টাকার মধ্যে পেয়ে যাবেন। পছন্দ এবং স্থানভেদে এ খরচের তারতম্য হতে পারে।