কেশরহাটে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে কৃষকের ১০ বিঘা পানবরজের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভরাট করার অভিযোগ

আপডেট: মে ১৮, ২০২১, ১০:১৩ অপরাহ্ণ

মোহনপুর প্রতিনিধি:


মোহনপুরের কেশরহাট পৌর এলাকার বাকশৈল মহল্লার পশ্চিম পাড়ায় অবস্থিত সিটিসেল টাওয়ারের নিচে চার কৃষকের প্রায় ১০ বিঘা জমির পান বরজ থেকে পানি নিষ্কাশনের জন্য জায়গা না দিয়ে ক্ষতি সাধণের অভিযোগ উঠেছে দুই জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে। এবিষয়ে মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রশাসনের দফতরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগিরা।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেশরহাট সিটিসেল টাওয়াররের নিচে দীর্ঘদিন যাবত পানবরজ প্রায় ১০ বিঘা জমিতে বরজে পানচাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন বাকশৈল মহল্লার ইসাহাক আলীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন, ইব্রাহিমের ছেলে শাহারিয়ার, মৃত সামেদ আলীর ছেলে আবদুস সালাম ইউসূফ মোল্লার ছেলে আজাহার আলী। তাদের ব্যয়বহুল এবং লাভজনক পান বরজের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ছিলো এই জামায়াত নেতার জমির পাশ দিয়ে। বর্তমানে তারা জমি ভরাট করায় পান বরজগুলো পানি নিস্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে ক্ষতির শঙ্কা তৈরি হয়েছে। মাটি ভরাট শুরু করে কৃষকদের ক্ষতি সাধনের অভিযোগ উঠেছে একই মহল্লার মৃত আনেচ আলীর ছেলে জামাত নেতা মতিরউর রহমান এবং জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে।
এসময় বরজ মালিকরা তাদের কাছে পান বরজের পানি নিস্কাশনের জন্য ড্রেনেজ রাখার দাবি জানায়। তারা তাদের এ দাবি না মেনে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ শুরু করে। ভুক্তভোগিরা স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে ওইস্থানে মাটির নিচ দিয়ে পাইপ ড্রেন করতে চাইলেও তা করতে দেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগি কৃষকদের দাবি পান গাছের গোড়ায় সামান্য এক দিন পানি জমা হয়ে থাকলেই পান গাছগুলো মরে যায়। এখন বর্ষাকাল। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে বরজের খুব কাছাকাছি পানি চলে এসছে। যেকোনো সময় আর একটুখানি বৃষ্টি হলে কৃত্রিম জলাবদ্ধতায় নষ্ট হবে সকল বরজগুলো। এতে তারা আর্থিক ক্ষতিগ্রস্তসহ পরিবার নিয়ে চরম দূর্ভোগে পড়বে বলেও জানান তারা। এজন্য প্রতিকার চেয়ে এ অভিযোগ দায়ের করেছে বলে বরজ মালিকরা। ড্রেন না দেয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে মতিউর রহমান মন্তব্য করতে চাননি।
উপজেলা কৃষি অফিসার রহিমা খাতুন জানান, বিষয়টি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন ইউএনও মহোদয়। তিনি আমাদের মাধ্যমে কৃষকদের ক্ষতির বিষয়ে তদন্ত করে রির্পোট চাইলে আমরা তাকে সহযোগিতা দেবো।
জানতে চাইলে মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানওয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি দ্রুত গুরুত্বের সাথে দেখা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ