কোভিড গবেষণায় বড় সাফল্য, গুরুতর অসুস্থতার জন্য দায়ী জিনের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা

আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২২, ৭:২৮ অপরাহ্ণ


সোনার দেশ ডেস্ক:


একদিকে যেমন কোভিডের বাড়বাড়ন্ত অব্যাহত, অন্যদিকে হাত গুটিয়ে বসে নেই বিজ্ঞানীরাও। এরই মধ্যে হাজার গবেষণা চালাচ্ছেন তাঁরা। খুঁজছেন মারণ ভাইরাস থেকে মুক্তির পথ। সম্প্রতি একদল পোলিশ বিজ্ঞানী একটি জিন খুঁজে পেয়েছেন। যা নির্ধারণ করে কোন রোগী কতখানি কাহিল হবেন কোভিডে। মনে করা হচ্ছে, এই আবিষ্কারের ফলে চিকিৎসকরা ঝুঁকিবহুল কোভিড রোগীদের চিহ্নিত করতে সক্ষম হবেন।

কোভিডের প্রকোপের পড়েও অনেকেই ভ্যাকসিন নিতে গড়িমসি করছেন। এর ফলে পূর্ব ও মধ্য ইউরোপে বিপুল পরিমাণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, এবার এই জিনটিকে চিহ্নিত করে কারা কোভিড আক্রান্ত হলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন, তা নিশ্চিত করা যাবে। সেই সমস্ত ব্যক্তিকে তড়িঘড়ি ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করা যাবে।

পোলিশ স্বাস্থ্য মন্ত্রী অ্যাডাম নিয়েদজিলস্কি এই আবিষ্কারকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, “একটানা দেড় বছর ধরে গবেষণার পর আমাদের বিজ্ঞানীরা সেই জিনটিকে চিহ্নিত করতে পেরেছেন, যেটি কোভিডে গুরুতর অসুস্থ হওয়ার জন্য দায়ী। এর মানে ভবিষ্যতে আগে থেকেই আমরা সেই রোগীকে চিহ্নিত করতে পারব যিনি গুরুতর অসুস্থ হতে পারেন।”

পোল্যান্ডের মেডিকেল ইউনিভার্সিটি অফ বায়ালিস্টোকের গবেষকরা এই অতি গুরুত্বপূর্ণ অবিষ্কারটি করেছেন।বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, একজন মানুষের বয়স, শরীরের ওজন, এমনকী লিঙ্গভেদও কম অসুস্থ ও গুরুতর অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি নির্ভর করে। শতাংশের হিসেবে কত সংখ্যক পোলিশ নাগরিকের মধ্যে ওই জিন রয়েছে? তাও জানিয়েছেন গবেষকরা।

জানানো হয়েছে, পোলিশ নাগরিকদের ১৪ শতাংশের মধ্যে ওই বিপজ্জনক জিনটি রয়েছে। অন্যদিকে গোটা ইউরোপে ৮-৯ শতাংশ উপস্থিতি রয়েছে ঝুঁকিবহুল এই জিনের। ভারতে ওই জিনের শতাংশের হিসেবও দিয়েছেন পোলিশ গবেষকরা। তাঁদের মতে, ভারতীয় নাগরিকদের ২৭ শতাংশের মধ্যে রয়েছে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হওয়ার জন্য দায়ী বিপজ্জনক জিনটি।
তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন