কোভিড হওয়ার আগেই কঙ্গনার মন্তব্য, অক্সিজেন নয় ভারতের বেশি প্রয়োজন ধর্মের!

আপডেট: মে ৮, ২০২১, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


অক্সিজেন ঘাটতি নিয়ে কঙ্গনার মন্তব্য

টুইটার অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় হওয়ার পরে কঙ্গনা রানাউত জানিয়েছিলেন, তাঁর কাছে বিকল্পের ঘাটতি নেই। অন্য মাধ্যমে নিজের মতামত প্রকাশ করবেন তিনি। আর সে কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছেন বলিউড অভিনেত্রী। সম্প্রতি তাঁর একটি মন্তব্য নিয়ে ফের তোলপাড় শুরু হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘ভারতে অক্সিজেনের চাইতে ধর্মের প্রয়োজন বেশি’।
এমন একটি সময়ে তিনি এই মন্তব্য করেছেন, যখন দেশে অক্সিজেনের জন্য হাহাকার চলছে। চার দিক থেকে অভিযোগ আসছে, প্রাণবায়ুর অভাবে কোভিড রোগীর মৃত্যু হচ্ছে। তা ছাড়া সিলিকোসিস আক্রান্ত রোগীরাও বিপদে পড়েছেন। নিয়মিত অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়ে তাঁদের। কিন্তু অতিমারিতে বিধ্বস্ত দেশে অক্সিজেনের ভাঁড়ারে টান পড়েছে।
‘সাধারণ ফ্লু ছাড়া কিছুই নয়, সংবাদমাধ্যম বাড়াবাড়ি করছে’, দাবি করোনা আক্রান্ত কঙ্গনার
একটি সংবাদমাধ্যমের খবর, ‘দিল্লিতে অক্সিজেন নিয়ে চূড়ান্ত অব্যবস্থা চলছে’। সেই খবরের প্রতিক্রিয়া হিসেবে কঙ্গনার মন্তব্য, ‘ভারতে আর অক্সিজেনের প্রয়োজন নেই। ভগবানের ভয় পাওয়া দরকার এখানে। প্রয়োজন ধর্মের’। তাঁর অভিযোগ, দেশে চোর ভর্তি। আর তাই মানবজাতির প্রয়োজন মানবিকতা, অক্সিজেন নয়।
এর আগেও কঙ্গনা অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণের জন্য ‘স্থায়ী সমাধান’ দিয়েছিলেন রোগীদের। তাঁর ভাষায়, ‘যাঁদের শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি হচ্ছে, তাঁরা দয়া করে একটি কাজ করুন। গাছ লাগান। আর যদি সেটি করতে না পারেন, অন্তত গাছ কাটা বন্ধ করুন’।
শনিবার সকালে কঙ্গনা রানাউত ইনস্টাগ্রামে জানান, তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, ‘এই রোগ সাধারণ সর্দি-জ্বর ছাড়া আর কিছুই নয়। সংবাদমাধ্যম একটু বেশিই বাড়াবাড়ি করছে। যার ফলে কিছু মানুষ আতঙ্কে ভুগছেন’।
৪ দিন আগে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের টুইটার অ্যাকাউন্টটি স্থায়ী ভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। টুইটারের মুখপাত্র সে কথা জানিয়েছিলেন নেটমাধ্যমে। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ব্যক্তি নির্বিশেষে তাঁরা তাঁদের নিয়ম মেনে চলেন। এ ক্ষেত্রেও তাই। মুখপাত্রের কথায়, ‘‘আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিলাম, কোনও পোস্ট থেকে বড় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে তার বিরুদ্ধে আমরা পদক্ষেপ নেব। নীতি লঙ্ঘন করার জন্য উল্লিখিত অ্যাকাউন্টটি স্থায়ীভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।’’
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ