কোরবানি ইদকে সামনে রেখে চঁপাইনবাবগঞ্জে প্রস্তুত ১ লক্ষ ৬৫ হাজার পশু

আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ৭:১১ অপরাহ্ণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:


কোরবানির আর ১৬ দিন বাকি। আর ইদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গরুর খামারিসহ গৃহস্থরা। খামারিরা বলছেন তারা কাক্সিক্ষত মূল্য পাবার আশা করছেন। অনলাইন এবং বিভিন্নভাবে গরু বেচাকেনা শুরু হয়েছে। মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও কোরবানিকে টার্গেট করে বিভিন্ন স্থান থেকে পশু এনে পালন করছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৩’শ ৯৩। তার বিপরীতে জেলার ৫ উপজেলায় ছোট বড় ১১ হাজার ৫’শ ৪৯ টি খামারে ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ৬’শ ১৫ টি গবাদিপশু ও ছাগল প্রস্তুত করা হয়েছে। এরমধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ১৪ হাজার ৮৮৫ টিঁ ষাঁড়, বলদ ১৮ হাজার ৩’শ ২৫, গাভী ১১ হাজার ৫’শ ৯৭ টি, গাভী ৮৯টি মহিষ, ছাগল ৩১ হাজার ১’শ ২৯টি ও ভেড়া ১ হাজার ৭’শ ৯৭ টি, শিবগঞ্জে ৬ হাজার ৯’শ ১০ টি ষাঁড়, বলদ ৩ হাজার ২’শ ৭৬ টি, গাভী ৩ হাজার ২৪টি, মহিষ ১৩ টি, ছাগল ২০ হাজার ১’শ ৭৫, ভেড়া ১ হাজার ৭’শ ২৭, নাচোলে ষাঁড় ২ হাজার ৩’শ ২২ টি, বলদ ১ হাজার ২’শ ২৯টি, গাভী ৫ হাজার ৩’শ ৪৭টি, মহিষ ৪০টি, ছাগল ৩ হাজার ২’শ ৪১ টি, ভেড়া ১ হাজার ২’শ ৭টি, গোমস্তাপুরে ষাঁড় ৭ হাজার ১’শ ৬৯ টি, বলদ ৬ হাজার ২’শ ৪টি, গাভী ৬ হাজার ৪’শ ২৩ টি, মহিষ ৩০টি, ছাগল ৬ হাজার ৫’শ ৬৯ টি, ভেড়া ৩ হাজার ৩’শ ৩৯টি এবং ভোলাহাটে ষাঁড় ২ হাজার ৪৫ টি, বলদ ৪’শ ১৩টি, গাভী ২ হাজার ৬’শ ৮২টি, মহিষ ৪টি, ছাগল ৬ হাজার ৯’শ ৫৮ টি ও ভেড়া ৯’শ ৯৭টি। কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে প্রতি বছর খামারিরা গরু পালন করে আসছেন।

প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে মোটাতাজা করা হচ্ছে এসব গরু। ক্ষতিকর স্টেরয়েড জাতীয় ট্যাবলেট বা ইনজেকশন ব্যবহার করেন না তারা। তবে গো খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় খামারিদের বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে। ফলে গরুর দাম স্বাভাবিকভাবে বেশী পড়বে। গো খামারিদের টিকিয়ে রাখতে এ খাতকে উৎসাহিত করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে বিশেষ নজর দেয়ার আহ্বান জানান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের খামারি কামাল হোসেন জানান, একটি গরু পালন করতে অনেক টাকা খরচ হয়। বর্তমান বাজারে গরুর চাহিদা অনুযায়ী দামও ভাল রয়েছে। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ইতিমধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোরবানির পশু বেচাকেনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়ভাবে পশু দিয়েই এবারের কোরবানির চাহিদা মিটবে।

এর মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও ব্যবসায়ীরা পশু আনতে শুরু করেছেন। গৃহস্থরাও কোবানিকে লক্ষ্য রেখেই পশু পালন করেছেন। এ কারণে এবার জেলায় কোরবানিতে পশুর সংকট না হওয়ার সম্ভাবনা কম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ