ক্যারিয়ার হিসেবে ইথিক্যাল হ্যাকিং-এর ভবিষ্যৎ কেমন?

আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২২, ১:৪১ পূর্বাহ্ণ

এ.এস.এম. শাহরিয়ার জাহান, তথ্য-প্রযুক্তিবিদ:


ইথিক্যাল হ্যাকারদের কাজ হচ্ছে তাঁরা একজন অপরাধপ্রবণ হ্যাকারের মতো একই উপায়ে হ্যাকিং আক্রমণ চালায় তবে হ্যাকিং শেষে কোনপ্রকার কোন ক্ষতি না করে তাঁরা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের নিরাপত্তার দুর্বলতা ও নিরাপত্তা বাড়ানোর বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করে থাকে। অতএব ইথিক্যাল হ্যাকারদের কাজের ধরণ থেকেই ইথিক্যাল হ্যাকারদের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করা যায়। অনলাইন নির্ভর এই দুনিয়ায় যেকোন প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা বাড়াতে অভিজ্ঞ ইথিক্যাল হ্যাকার দিয়ে যাচাই করে নেয়া বর্তমান বিশ্বে অতীব প্রয়োজনীয়তা হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

আমাদের চারপাশে প্রতিদিনই নতুন নতুন অনলাইন নির্ভর বিজনেস গড়ে উঠছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলোও প্রযুক্তির ব্যবহারে মনোযোগী হচ্ছে। ব্যাংক, এয়ারলাইন্সের মতো সামাজিক বিভিন্ন পরিষেবাগুলো এখন সিংহভাগই প্রযুক্তিনির্ভর। এদিকে যত দিন যাচ্ছে অনলাইন জগতে নিরাপত্তার হুমকি নিয়ে সবারই কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা যাচ্ছে। সবাই তাদের নিজ নিজ বিজনেস সিস্টেম এবং গুরুত্বপূর্ণ ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়। তাই সবারই নিরাপত্তা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও লোকবল প্রয়োজন। এজন্য চাকরির বাজারেও ইথিক্যাল হ্যাকারদের চাহিদা বাড়ছে।

তাছাড়া ইথিক্যাল হ্যাকিংকে জীবিকা হিসেবে না নিলেও আপনাকে ব্যক্তিগত প্রয়োজনেও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হবে। এই ইন্টারনেটে প্রতিটি পদক্ষেপ ঝুঁকিপূর্ণ। আপনি যদি হ্যাকিং সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা রাখেন তাহলে সেক্ষেত্রে অনলাইন দুনিয়ায় নিজেকে অনেকটাই নিরাপদ রাখতে পারবেন। তাই ব্যক্তিগত আগ্রহ থেকেও অনেকে ইথিক্যাল হ্যাকিং-এর ব্যাপারে জানছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ