খাদ্য অধিকার বিষয়ে গণশুনানিতে বক্তারা || খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করতে আগে প্রয়োজন কর্মসংস্থান

আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০১৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :


খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করতে সবার আগে প্রয়োজন কর্মসংস্থান। শুধুমাত্র সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনিতে এনে সাময়িক খাদ্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা যেতে পারে তবে স্থায়িত্বশীল খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
গতকাল শনিবার নগরীর ওয়ারিসন হোটেলে আয়োজিত বিভাগীয় গণ শুনানিতে বক্তারা এসব কথা বলেন। উন্নয়ন সংগঠন পরিবর্তনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে একশন এইড, খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক এবং বরেন্দ্র উন্নয়ন প্রচেষ্টা। অ্যাড. মোমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর এনকে নোমান। পরিবর্তনের প্রধান নির্বাহী রাশেদ রিপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বরেন্দ্র উন্নয়ন প্রচেষ্টার পরিচালক ফয়েজুল্লাহ চৌধুরী। বক্তব্য দেন সনাক সভাপতি প্রফেসর আব্দুস সালাম, সমাজসেবা অধিদপ্তরের শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা ফিরোজ আব্দুল্লাহ, মহিলা পরিষদ জেলা সভাপতি কল্পনা রায় এবং সোনার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাসান মিল্লাত। তৃণমূল জনগোষ্ঠির পক্ষ থেকে খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা তুলে ধরেন মোহনপুর উপজেলার রুমি আক্তার এবং নাজমুল ইসলাম, গোদাগাড়ী উপজেলার কাঞ্চন রানী এবং কৃষ্ণা দেবী ও পবা উপজেলার আফাজউদ্দিন। মুক্ত অলোচনা পর্বে বক্তব্য দেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারপার্সন মর্জিনা পারভীন, মেট্রপলিটন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, পবা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল ইসলাম, সম্পাদক সরকার দুলাল মাহাবুব, ব্যবসায়ি সফিকুল ইসলাম রিপন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাজিবুল ইসলাম, সোহরাব হোসেন, কনি ইসলাম এবং আব্দুল হালিম।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বরেন্দ্র এলাকায় ধানি জমিতে আম বাগান তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া ব্যাপকভাবে মাছ চাষের জন্য পুকুর কাটা হচ্ছে। এসব কারণে ধান সহ বিভিন্ন শস্য আবাদের জমি কমে যাচ্ছে যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য একটি বড় সমস্যা সৃষ্টি করছে। ১০ টাকা কেজি চালের ক্ষেত্রে যাদের প্রয়োজন তাদের না দিয়ে অবস্থাপন্নদের দেয়া হচ্ছে। কৃষি মজুরেরা সারা বছর কাজ পায় না। বছরের ছয় মাস তাদের কাজ থাকে না। যখন কাজ থাকে তখন নারী শ্রমিকেরা মজুরি কম পায়।