খায়রুজ্জামান লিটনকে প্রাণঢালা সংবর্ধনা

আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০১৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক



রাজশাহী নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন পুনরায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় তাকে গণসংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর মুন লাইট গার্ডেনে নগর আওয়ামী লীগসহ সহযোগি ও অঙ্গসংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা এ গণসংবর্ধনা দেন। এসময় রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগসহ ২২ টি সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ খায়রুজামান লিটনকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জাতীয় চার নেতা দেশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে জীবন দিয়েছেন। জাতীয় নেতারা ছিলেন আ’লীগের যোগ্য নেতৃত্ব। দেশের উন্নয়ন করতে পারে একমাত্র যোগ্য নেতৃত্ব। আ’লীগ আপসের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। রাজনীতির সুখে দুখে যারা সবসময় পাশে থাকেন তাদের হাতে আ’লীগ নেতৃত্ব তুলে দেন।
লিটন বলেন, স্বাধীনতার পর ৭৫’র পরবর্তীতে আ’লীগের কর্মী বা সদস্য খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার আদর্শকে বুকে ধারণ করে আ’লীগ রাজনীতি করছেন। রাজশাহীতে আ’লীগের জন্য শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান নিরলস পরিশ্রম করেছেন। বঙ্গবন্ধুর কাছে জাতীয় চার নেতার আস্থাভাজন অন্যতম নেতা ছিলেন শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান। রাজশাহীতে আ’লীগের রাজনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য সবোর্চ্চ রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। রাজশাহীতে আ’লীগ নামধারি কোন হাইব্রিড রাজনীতিতে থাকবে না। যারা এদের সমর্থন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মুক্তিযোদ্ধা ফরহাদ আলী মিয়ার সভাপতিত্বে এবং নগর আ’লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক নাঈমুল হুদা রানার পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নগর আ’লীগের সহসভাপতি শাহীন আক্তার রেনী, মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, নওশের আলী, অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, সাধারণ সম্পাদ ডাবলু সরকার, যুগ্মসম্পাদক মোস্তাক হোসেন, রেজাউল ইসলাম বাবুল, সদস্য এহসানুল হক পিন্টুসহ আওয়ামী লীগের সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে খায়রুজ্জামান লিটন নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, রাজশাহীতে আ’লীগের নেতাকর্মীদের বৃদ্ধি করার জন্য অনেক অন্যায়-অত্যাচারে রাজনীতি করতে হয়েছে। বিএনপির শাসনামলে রাজপথে থেকে রাজশাহীতে আ’লীগের রাজনীতি করেছি। জামায়াত-শিবির ও পুলিশের সঙ্গে আন্দোলন করে মিছিল মিটিং করতে আপস করেনি। সাংগঠনিকসহ ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে আ’লীগের সদস্য বৃদ্ধি করেছি। নতুন হালে রাজশাহীতে আ’লীগের সদস্য নির্বাচন এবং হাইব্রিডগুলো চিহিৃত করে অপসারন করা হবে। কর্মী মূলায়ন করবো পূর্ব পুরুষের ইতিহাস দেখে। রাজশাহীর উন্নয়নের জন্য আমার সহযোগিতা যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন থাকবে। এসময় খায়রুজামান লিটন নেতৃবৃন্দের প্রতি রাজশাহীতে আ’লীগের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার জন্য সহযোগিতার আহ্বান জানান।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ