খুশখুশে কাশির ঘরোয়া প্রতিকার

আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০১৭, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক থেকেই এটি অত্যন্ত যন্ত্রনাদায়ক। এলার্জি, শুষ্ক বাতাস, সর্দি, ধুলা ইত্যাদি খুশখুশে কাশির কারণ। ঘরোয়া উপায়ে খুশখুশে কাশি সারিয়ে তোলার উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক এক ওয়েবসাইট।
যষ্টিমধুর শেকড়ের চা: সর্দি কাটাতে এবং নাক দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া সহজ করতে অত্যন্ত উপকারি যষ্টিমধুর শেকড়। প্রথমেই আড়াইশ মিলিলিটার পানি নিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। এবার কাপে ২ টেবিল-চামচ শুকনা যষ্টিমধুর শেকড় নিয়ে তাতে ওই ফুটন্ত পানি ঢেলে নিতে হবে। ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখার পর তা পান করতে হবে। প্রতিদিন দুবার এই চা পান করলে উপকার মিলবে।
টি থাইম: শ্বাসনালীর ‘ট্রাচেয়া’ ও ‘ব্রঙ্কি’য়ের পেশিকে শিথিল করে থাইম। পাশাপাশি বাতাস চলাচলের জায়গা করে দেয়, ফলে কাশি কমে। ফুটন্ত পানিতে ২ টেবিল-চামচ রোদে শুকানো থাইম ফেলে দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ১৫ মিনিট থাইম এভাবে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পান করতে হবে দিনে তিন বার। স্বাদ বাড়াতে যোগ করতে পারেন মধু কিংবা লেবুর রস।
আদা ও পেপারমিন্টের সিরাপ: ফুসফুসে জমে থাকা সর্দি এবং গলার জ্বালাপোড়াই মূলত কাশির উদ্রেক করে। এক্ষেত্রে আদা ও পেপারমিন্ট বেশ উপকারি। ৩ টেবিল-চামচ আদাকুচি ও ১ টেবিল-চামচ পিপারমিন্ট-কুচি নিয়ে ৪ কাপ ফুটন্ত পানিতে মিশিয়ে রেখে দিতে হবে। পানি অর্ধেক হয়ে গেলে এটি ছেঁকে এবং ঠা-া করে মিশ্রণে ১ কাপ মধু যোগ করে  নাড়তে হবে যতক্ষণ না পুরোপুরি মিশে যায়। মিশ্রনটি চার ঘণ্টা পরপর ১ টেবিল-চামচ পরিমাণে খেতে হবে। এটি তিন সপ্তাহ পর্যন্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ