গাছে গাছে মুকুলের সমারোহ || স্বপ্ন দেখছেন নওগাঁর আম বাগানের মালিক ও ব্যবসায়ীরা

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৭, ১:১১ পূর্বাহ্ণ

এমআর রকি, নওগাঁ



পর্যাপ্ত মুকুল আসায় নওগাঁর বরেন্দ্র এলাকা সাপাহার-পোরশার আম বাগানগুলো নিয়ে লাভের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। ভালো ফলন পাওয়ার আশায় বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত এখানকার আম চাষিরা। তবে পোকা ও ছত্রাকের আক্রমণ সেই স্বপ্নে বাধ সাধতে পারে বলে মনে করেন তারা। যদিও বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত না হয়ে আমের গুটি ফোটার আগে বালাইনাশক ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ কৃষিবিদদের।
মুকুলে মুকুলে ছেয়ে যাওয়ায় নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলের আম বাগানগুলো এখন মুখরিত মৌ মৌ গন্ধে। থোকা থোকা অলংকারে সজ্জিত মুকুলের এমন দৃশ্য বাড়িয়ে দিচ্ছে প্রকৃতির রূপ-বৈচিত্র।
ফল গবেষণার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, নওগাঁয় ল্যাংড়া, ফজলি, গোপালভোগ, ক্ষিরসাপাত, বোম্বাই, আ¤্রপলি হিমসাগর, লখনা ও মোহনভোগ জাতের সুস্বাদু আমের উৎপাদন বেশি। তাই কীটনাশক ছিটিয়ে বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত বাগান মালিকরা। আশানুরূপ দাম থাকলে গত বছরের ন্যায় এবারও বড় ধরণের লাভের হাতছানি দেখছেন তারা পতœীতলার মধইল বাজারের আম চাষি জিল্লুর রহমান, মোবারক হোসেন জানান, এবার মুকুল খুব ভালো এসেছে। তা রক্ষার জন্য তারা বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক প্রয়োগ করছেন।
তবে হোপার পোকা, ছত্রাকের আক্রমণ ও প্রতিকূল আবহাওয়ার শঙ্কায় অনেকেই দুশ্চিন্তাই রয়েছেন। এদিকে আমের মুকুল ঝড়ে পড়া রোধে নাম সর্বস্ব কোম্পানির কীটনাশকে সয়লাব জেলার তৃনমূল হাট বাজারগুলো। ভালো ফলনের আশায় এসব কীটনাশক ব্যবহার করছেন।
যেন তেন কীটনাশক ব্যবহার না করে আমে ক্ষতিকর পোকা দমন ও ফলন বাড়াতে কৃষি বিভাগের পরামর্শ নেয়ার তাগিদ এ কৃষি কর্মকর্তারা। সাপাহার  উপজেলা কৃষি অফিসার এএফএম গোলাম ফারুক হোসেন জানান, এবার অনেক বেশি আমের ফলন হবে। কারণ হিসাবে তিনি বলছেন এখন রোদেও যে প্রখরতা তা আমের জন্য খব সহায়ক। জেলায় চলতি বছর ১২ হাজার ২শ হেক্টর জমির বাগানে ১ লাখ ৫১ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ