গুরুদাসপুরে কলেজ থেকে চুরি যাওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার

আপডেট: মে ৬, ২০১৭, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ

গুরুদাসপুর প্রতিনিধি


অবশেষে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর মোজাম্মেল হক ডিগ্রি কলেজের ‘শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব’ থেকে চুরি যাওয়া ১৫টি ল্যাপটপের মধ্যে ১৩টি ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গত বুধ ও বৃহস্পতিবার বগুড়া সদরের পালপাড়া ছাত্রাবাস, নন্দীগ্রাম উপজেলা, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও কাজীপুর উপজেলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব ল্যাপটপ উদ্ধার করে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে গুরুদাসপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে চুরি যাওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের ডেকে প্রেস ব্রিফিং করা হয়। এসময় ওসি দিলীপ কুমার দাস, ওসি (তদন্ত) তারেকুর রহমান সরকার, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) সুব্রত কুমার মাহাতো ও অধ্যক্ষ রসুল উদ্দিন মৃধা উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের সামনে উদ্ধার করা ১৩টি ল্যাপটপ ও চুরির সঙ্গে জড়িত কলেজছাত্র রহিদুল ইসলামকে (১৭) হাজির করা হয়।
রহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানায়, ল্যাপটপ চুরির সঙ্গে একই কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র তারেক (১৭) ও সবুজ (১৭) জড়িত রয়েছে। তাদের পরামর্শে চুরির পথ বেছে নেয়া হয়। পরে বিভিন্ন এলাকায় থাকা তার পরিচিত বন্ধুদের কাছে ২-৩ হাজার টাকা করে এসব ল্যাপটপগুলো বিক্রি করে। সব মিলিয়ে ৪০-৫০ হাজার টাকা হাতে পেয়েছিল তারা।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিলীপ কুমার দাস জানান, গত মঙ্গলবার ল্যাপটপ চুরি সন্দেহে কলেজের দুই ছাত্র চরপিপলা গ্রামের ফিরোজ হোসেন (১৭) ও পিপলা গ্রামের রহিদুলকে (১৭) আটক করে পুলিশ। তবে ফিরোজ চুরির ঘটনায় সম্পৃক্ত না থাকায় গতকাল শুক্রবার তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। রহিদুলের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে চুরি যাওয়া ল্যাপটপগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে চুরির সঙ্গে তারেক ও সবুজ নামে আরো দুই কলেজছাত্র জড়িত রয়েছে। তাদের গ্রেফতার ও আরো দুইটি ল্যাপটপ উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার পুলিশ হেফাজতে থাকা রহিদুলকে আদালতে হাজির করা হবে জবানবন্দি আদায়ের জন্য।
ওই কলেজের অধ্যক্ষ রসুল উদ্দিন মৃধা ল্যাপটপগুলো উদ্ধার হওয়ায় পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।
এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি গভীররাতে ওই কলেজের আইসিটি কক্ষ থেকে ১৫টি ল্যাপটপ চুরি হয়। পরদিন ওই ঘটনায় অধ্যক্ষ বাদী হয়ে থানায় একটি চুরি মামলা দায়ের করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ