গোদাগাড়ীতে ফুল চাষ করে স্বাবলম্বী কৃষক আবদুল কাইউম

আপডেট: January 6, 2020, 1:00 am

একে তোতা, গোদাগাড়ী


নিজের ফুলের বাগানে গোদাগাড়ীর সফল চাষি আবদুল কাইউম-সোনার দেশ

বরেন্দ্র লাল মাটিতে ফুল চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন কৃষক আবদুল কাইউম। চলতি মৌসুমে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের গোপালপুর ও কাদিপুরে ৫বিঘা জমিতে বাণিজ্যকভাবে গাদা, রজনীগন্ধা, গ্লাডিওলাস, গোলাপসহ বিভিন্ন ধরনের ফুল চাষ করেছেন কৃষক আবদুল কাইউম। গত দুই সপ্তাহে সাড়ে ৩লাখ টাকার ফুল বিক্রি করেছেন। আরো ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকার ফুল বিক্রির আশা করছেন এই ফুল চাষি। তার ফুল চাষে খরচ হয়েছে ৩ লাখ টাকা।
কৃষক আবদুল কাইউম বলেন, ২০১২ সালে ধান, গম ও শাক সবজির পাশাপাশি ৫কাঠা জমিতে গ্লাডিওলাস ফুল চাষ করে লাভবান হয়। এরপর থেকে পতি বছর ফুল চাষের জমির পরিমাণ বাড়াতে থাকে। চলতি মৌসুমে অনন্য ফসল কমিয়ে দিয়ে ৫ বিঘা জমিতে ফুল চাষ করে। এই কৃষককে ফুল চাষে পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতা করে আসছে উপজেলার বিদিরপুর ব্লকের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা আসরাফুল ইসলাম। মাঠ পর্যায়ের এই কৃষি কর্মকর্তা বলেন, এ অঞ্চলের মাটি ফুল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগি। তার ব্লকের কৃষকদেরকে ফুল চাষে প্রস্তাব দিলে দারিদ্র কৃষক কাইউম ফুল চাষে আগ্রহ দেখায়। প্রথম বছর কাইউমের জমির ফুল কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উদ্যোগে বাজারজাত করা হয়। ফুলের মান ভালো হওয়ায় জমি থেকেই ফুল ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। গত আট বছর ধরে ফুল চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান আবদুল কাইউম আগামী মৌসুমে ফুল চাষে জমির পরিমাণ বাড়াবে। গোপালপুর ও কাদিপুরে জমিতে সাদা,হলুদ ও লাল রঙ্গের সমারোহ ঘটায় প্রতিদিন দর্শনর্থীরা ফুলের জমিতে ভীড় জমাচ্ছে। গোদাগাড়ী কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, রাজশাহী ও চাপাইনবাবগঞ্জসহ স্থানীয় বাজারে ফুলের চাহিদা রয়েছে। এজন্য ফুল চাষে আগ্রহী কৃষককে প্রশিক্ষণসহ সব ধরনের সহায়তা দিবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ