গোদাগাড়ীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান

আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২০, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি


রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছে এক প্রেমিকা। জানা গেছে গোদাগাড়ী উপজেলার কৃষ্ণ বাটি কালিদিঘি গ্রামের দরিদ্র কৃষক এন্তাজ আলীর মেয়ে ইসমতআরা খাতুনকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে উঠে উপজেলার ফরাদপুর গ্রামের মৃত এমদাদুল হকের ছেলে খাইরুল ইসলামের। বর্তমানে মেয়েটির পরিবার বিয়ের জন্য ছেলের পরিবারকে চাপ দিলে সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে ছেলেটি। গতকাল বুধবার সকালে প্রেমিক খাইরুল ইসলামের বাড়িতে অবস্থান নেন ইসমতআরা। সেই থেকে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে রয়েছে ইসমতআরা। ইসমতআরা বলেন, রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজে অনার্স ৩য় বর্ষে পড়াশোনা করি। গত চার বছর ধরে আমাদের প্রেমের সম্পর্ক। তারপর মাঝে মাঝে আমাদের দৈহিক সম্পর্ক হয়। এর আগে গত দেড় বছর আগে খাইরুল ইসলামের বাড়িতে জানালে তার মা দেলখোস বেগম এবং মামা আব্দুল কাদির আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাড়ি থেকে পাঠিয়ে দেন। গতকাল বুধবার সকালে বিয়ের দাবিতে খাইরুলের বাড়ি আসলে তার মা ও ভাই আমাকে মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এরপরে থেকে বাড়ির বাইরেই বসে আছি। খাইরুলের সাথে বিয়ে না দিলে আমি এখান থেকে যাব না। এ বিষয়ে খাইরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোন নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। খাইরুল ইসলামের মা দেলখোস বলেন আমার ছেলের সাথে এই মেয়ের কোনো ধরনের সম্পর্ক নাই! শুধু একই ক্লাসে পড়ে বলে বই হ্যান্ডনোট ইত্যাদি লেনদেন হতো তারা ভাল বন্ধু মাত্র।
মাটিকাটা ইউনিয়নে পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আজম তৌহিদ প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থানের কথা নিশ্চিত করে জানান, উভয় পরিবারের মধ্যে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রেমতলি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল বারী বলেন, একটি মেয়ে ফরাদপুর এলাকায় প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন, ছেলের মায়ের কাছে শুনেছি। তবে কোনো অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ