গোদাগাড়ীতে হান্ড সানিটাইজার ক্রয়ের জন্য ৫০ হাজার টাকার হদিস নেই

আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২০, ১০:১৯ অপরাহ্ণ

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি


রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে করোনা ভাইরাস দুর্যোগে হান্ড স্যানিটাইজার ক্রয়ের জন্য ৫০ হাজার টাকার হদিস নেই। এতে করে গরিব মানুষ হান্ড সানিটাইজার বা সাবান পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দোকান বন্ধ,সামাজিক দূরত্ব বজায় কারণে শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়েছে। এ সব মানুষের জন্য উপজেলায় ৪৪ টন চাল ও ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু শ্রমজীবীদের পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেয়া হলেও হান্ড সানিটাইজার অথবা সাবান দেয়া হয়নি।
এ প্রসঙ্গে গোদাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বলেন, উপজেলা প্রশাসন থেকে শুধু মাত্র চাল দেয়া হয়েছে। বরাদ্দকৃত টাকা দেয়া হয়নি। টাকা পাওয়া গেলে হান্ড সানিটাইজার বা সাবান ক্রয় করে চালের সঙ্গে দেয়া যেত। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে গরিব মানুষকে হান্ড সানিটাইজার বা সাবান দেয়া হয়নি।
এ প্রসঙ্গে গোদাগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন আরো বলেন, বাড়ি বাড়ি চাল পৌঁছে দিতে গিয়ে চেয়ারম্যানদের ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে চেয়ারম্যানরা খরচ করলেও সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ৫০ হাজার টাকা সম্পর্কে কিছুই বলছে না উপজেলা প্রশাসন।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী আবু বাসির বলেন, সরকারি অনুদান বরাদ্দের বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইউপি চেয়ারম্যাদের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়। সে মোতাবেক চাল দেয়া হলেও বরাদ্দকৃত টাকা দেয়া হয়নি। বরাদ্দকৃত ৫০ হাজার টাকা অন্য কাজে খরচ দেখনো হয়েছে। নিয়ম রয়েছে সরকারের এক প্রকল্পের অর্থ অন্য কোনো খাতে ব্যয় যাবে না। তবে কোন খাতে হান্ড সানিটাইজারের বরাদ্দকৃত টাকা ব্যয় করা হয়েছে তা জানাতে পারেনি প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। এদিকে বুধবার (১ এপ্রিল) নতুনভাবে উপজেলায় ২২ টন চাল ও ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ এসেছে। এই বরাদ্দকৃত চালের জন্য চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে তালিকা তৈরির কথা বলা হলেও নতুনভাবে ৫০ হাজার টাকা কোন খাতে ব্যয় করা হবে তা এখনো জানতে পারেনি ইউপি চেয়ারম্যানরা।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল ইসলাম সরকার বলেন, ৫০ হাজার টাকা ইউপি চেয়ারম্যানদের কাছে দেয়া হবে।