গোদাগাড়ী উপজেলা আ’লীগের সম্মেলন আজ বিএনপি’র সাবেক নেতা কী হচ্ছেন সভাপতি?

আপডেট: মে ১৮, ২০২২, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি:


রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন আজ বুধবার (১৮ মে)। মাটিকাটা ডিগ্রি কলেজে চত্তরে ত্রি-বার্ষিক এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা পাবে আগামী তিন বছরের জন্য। কারা আসছেন সেই নেতৃত্বে এ নিয়ে গোদাগাড়ীর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মাঝে চলছে নানা গুঞ্জন।

শুনা যাচ্ছে সভাপতি পদে উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কাকনহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল মজিদ, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আসাদুজজামান আসাদ, সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান উপজেলা আওয়ালীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুর রশিদ. উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, দেওপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আখতারজ্জামান আখতার, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মাহবুব আলম মুক্তি, পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক ও মাটিকাটা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল আওয়াল রাজু।

এদের মধ্যে আব্দুল মজিদ ও আব্দুল আওয়াল রাজু আওয়ালীগে অনুপ্রবেশকারী (হাইব্রড) আওয়ালীগ হিসাবে পরিচিত আছে। উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল মজিদ ২০১০ সালে দিকে আওয়ামীলীগে যোগদান করে। পরিবর্তিতে আওয়ালীগের মনোনয়ন নিয়ে কাকনহাট পৌরসভার মেয়র তৃতীয়বারের মত মেয়র নির্বাচিত হন।

২০২১ সালে আওয়ালীগের মনোনয়ন চাইলে অনুবেশকারী ও সুবিধাবাদীর তালিকায় নাম থাকায় তাকে বাদ দিয়ে কাকনহাট পৌর মেয়র প্রবীণ আওয়ালীগ নেতা একেএম আতাউর রহমান খান দলীয় মনোনয়ন পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন।

দেওপাড়া ইউনিয়নের এক সদস্য (মেম্বার) ও আওয়ামীলীগ নেতা বলেন, বিএনপি জামায়াত ক্ষমতা থাকাকালীন সময়ে আব্দুল মজিদের মদদে আওয়ালীলীগ নেতা মামলা হামলার শিকার হন আর তাকেই আওয়ালীগের সভাপতি হিসাবে মেনে নিতে কষ্ঠ হচ্ছে।

তাই নেতা কর্মীরা উপজেলা আওয়ালীগের সভাপতি হিসাবে ত্যাগী ও ক্লিন মান হিসাবে পরিচিত এমন নেতাকে দেখতে চাই। মাটিকাটা কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল আওয়াল রাজু স্বাধীনতা বিরোধী পরিবারের সদস্য বলে কেন্দ্রীয় আওয়ালীগের কাছে অভিযোগ করেছেন ত’ণমূলের নেতা কমীরা।

আবদুল আওয়াল রাজু তিন বছর আগে থেকে আওয়ামীলের দলীয় কর্মসচিতে অংশ নিয়ে নিজকে উপজেলা আওয়ামীগের নেতৃত্বতে জায়গা করে নিতে সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরীর পিছনে ঘুরছে। সাধারন সম্পাদক পরদ নেতা কর্মীদের কাছে জাহাঙ্গীর আলম ও আব্দুল রশিদের নাম বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।