গোদাগাড়ী পদ্মা নদীতে অবাদে মা ইলিশ ও জাটকা নিধন

আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০১৬, ১১:৪১ অপরাহ্ণ

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি
১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর ২২ দিন নদীতে মা ইলিশ ও জাটকা ধরা নিষিদ্ধ রয়েছে। কিন্তু রাজশাহী গোদাগাড়ী পদ্মা নদীতে অবাদে ধরা হচ্ছে নিষিদ্ধ এ ইলিশ মাছ। আর এ বিষয়ে নীরব রয়েছে বলে অভিযোগ উপজেলা মৎস অধিদফতরের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী উপজেলার সুলতানগঞ্জ, সারাংপুর, হাটপাড়া, বারুইপাড়া, রেলবাজার, মাদারপুর, মাটিকাটা, দেওয়ানপাড়া, উজানপাড়া, ভাটোপাড়া, হরিশংকরপুর, বিদিরপুর, প্রেমতলী এলাকায় পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ঝাকে ঝাকে ইলিশ মাছ ধরা পড়ছে। এসব ইলিশ মাছ চোরাইভাবে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ইলিশ মাছ ১৫০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতিদিন গোদাগাড়ীতে পদ্মা নদীতে কারেন্ট জাল দিয়ে শত শত মণ ইলিশ মাছ ধরা হলেও নিরব রয়েছে উপজেলা মৎস্য অধিদফতর।
পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে ইলিশ মাছ ধরার সঙ্গে জড়িত জেলেরা জানান, মাঝে মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত নদীতে অভিযান চালায়। তখন জেলেরা মাছগুলি নিয়ে নদীর ওপারে চর এলাকায় চলে যায়। সুযোগ সুবিধা বুঝে নদী এপারে এসে মাছগুলি বিক্রি করে। আর এভাবে অসাধু জেলেরা অবাদে ইলিশ মাছ ধরা ও বিক্রি কারবার করছে। তবে জেলেরা অভিযোগ করে বলেন, এসময় প্রকৃত জেলেরা নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকলেও অনেক নতুন জেলেকে নদীতে মাছ ধরতে দেখা যায়। এসব নতুন জেলেদেরকে আগাম খবর দিয়ে দিচ্ছে উপজেলা মৎস্য অধিদফতরে অসাধু কয়েকজন কর্মচারী। এতে করে ইলিশ মাছ ধরার সঙ্গে জড়িত জেলেরা ধরাছোয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে গোদাগাড়ী সিনিয়ার মৎস্য কর্মকর্তা শামসুল করিম বলেন, প্রতিদিন মৎস্য অধিদফতরে লোকজন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পদ্মা নদীতে অভিযান চালাচ্ছে। অনেক জেলেকে আটক, কারেন্ট জাল উদ্ধার ও ধরা পড়া ইলিশ মাছ জব্দ করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ নেওয়াজ বলেন, পদ্মা নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান বাড়ানো হয়েছে।