গৌরবময় অগ্রযাত্রায় ৬৫ বছরে রাবি

আপডেট: জুলাই ৬, ২০১৭, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ

রাবি প্রতিবেদক


১৯৫৩ সালের ৬ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হওয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ৬৪ পেরিয়ে ৬৫তম বছরে পদার্পণ করলো আজ বৃহস্পতিবার। দেশের অন্যতম বৃহৎ উচ্চশিক্ষাকেন্দ্র ও উত্তরাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হিসেবে খ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়টিতে যেমন রয়েছে সাফল্য, তেমনি রয়েছে রক্তাক্ত ইতিহাসও। যে ইতিহাস আজও দেশের মানুষকে সংগ্রামী করে তোলে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্যদিয়ে দেশে উচ্চশিক্ষার পথ উন্মোচিত হয়। তবে তৎকালীন বাংলায় একটি মাত্র বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষার চাহিদা পূরণে মোটেও সক্ষম ছিল না। তাই বাংলা নামক এ ভূ-খণ্ডে আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন জরুরি হয়ে পড়েÑ যা তীব্রভাবে অনুভূত হয় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সর্ববৃহৎ বিভাগীয় শহর রাজশাহী অঞ্চলের মানুষের মনে।
নানা পথপরিক্রমায় ১৯৫৩ সালের ৩১ মার্চ প্রাদেশিক আইনসভায় ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৫৩’ পাশ হয়। ওই বছরের ৬ জুলাই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদ্যাপীঠ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রায় ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। নয়টি অনুষদের আওতায় ৫৭টি বিভাগ ও দু’টি ইনিস্টিটিউটে চার বছর মেয়াদি ¯্নাতক (সম্মান) এবং এক বছর মেয়াদি ¯্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করছে প্রতিষ্ঠানটি। এমফিল ও পিএইচডিসহ উচ্চতর গবেষণার জন্য এখানে রয়েছে পাঁচটি ইনিস্টিটিউট। আর এসব শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও গবেষণা কাজে দিক নির্দেশনার দায়িত্বে রয়েছেন প্রায় সাড়ে ১৪’শ শিক্ষক।
রাবির ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে গোটা বিশ্ববিদ্যালয় ও সবগুলো আবাসিক হল। আজ সকাল ১০টায় প্রশাসন ভবন চত্ত্বরে পতাকা, বেলুন-ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহান। পরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হবে। বেলা ১১টায় সিনেট ভবনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন রাবির সাবেক উপাচার্য ও যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার অধ্যাপক ড. এম সাইদুর রহমান খান। আজ সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ক্লাসসমূহ বন্ধ থাকবে।