গ্রেফতার আতঙ্কে গোদাগাড়ী শিক্ষা কর্মকর্তা লাপাত্তা!

আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০১৭, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি


প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর বৃত্তির ফল জালিয়াতির মামলার আসামি ও গোদাগাড়ী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রাখী চক্রবর্তী গা ঢাকা দিয়েছেন। গত সোমবার বিকাল ৪টার দিকে রাজশাহী পুলিশ লাইনের সামনে থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করে দুনীতি দমন কমিশন (দুদক)। খবর পেয়েই গোদাগাড়ী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রাখী চক্রবর্তী একটি মাইক্রোবাস যোগে অফিস ত্যাগ করেন।
গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা শিক্ষা অফিসে গেলে কর্মচারীরা জনান, শিক্ষা কর্মকর্তা রাখী চক্রবর্তী তিন দিনের ছুটি নিয়ে চলে গেছেন। এ বিষয়ে রাখী চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৪০ শিক্ষার্থীর নম্বর বাড়িয়ে দিয়ে তাদের বৃত্তি পাইয়ে দেয়। এই নিয়ে অভিভাবকেরা বিক্ষোভ মিছিল ও বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করেন। বিষয়টি তদন্ত শেষে দুদক সমান্বিত জেলা কার্যলয়ের উপ-সহকারী পরিচালক আমিনুর রহমান বাদি হয়ে গত সোমবার রাজশাহী মাহনগরে রাজপাড়ায় থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন- সেই সময়ের বোয়ালিয়া শিক্ষা কর্মকর্তা রাখী চক্রবর্তী, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কাশেম ও কম্পিউটার অপারেটর সনিয়া খাতুন। ২০১৬ সালে রাখী চক্রবর্তীকে গোদাগাড়ী উপজেলায় শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়।
স্থানীয় কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পর থেকেই রাখী চক্রবর্তী দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তাকে ঘুষ না দেয়ায় অনেক শিক্ষককে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। দুদকের মামলায় গ্রেফতার এড়াতে রাখী চক্রবর্তী মঙ্গলবার অফিসে আসেন নি এবং গা ঢাকা দিয়েছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ