ঘন কুয়াশা পড়ছেই

আপডেট: January 6, 2020, 1:09 am

নিজস্ব প্রতিবেদক


প্রতিদিন ঘন কুয়াশা পড়ছেই। ঘন কুয়াশার কারণে বেলা বাড়ার পরও সূর্যের দেখা মিলছে না। শনিবারের মতো গতকাল রোববারও বেলা ১১টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যের মুখ দেখতে পায়নি নগরবাসী। ভোর থেকেই সব পিচঢালা পথ কুয়াশায় ভেজা থাকছে। দেখে মনে হচ্ছে যেন বৃষ্টি পড়েছে। কুয়াশার কারণে কাছের অনেক জিনিসও দেখা যাচ্ছে না। কুয়াশার কারণে যানবাহন চলাচলেও ব্যাপক অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে জনসাধারণকে।
এদিকে গত শনিবার সকালে হঠাৎ করে আবার বেড়েছে ঘন কুয়াশা ও শীতের দাপট। আবহাওয়া অফিস বলছে, গতকাল রোববার রাজশাহীতে সূর্যোদয় হয়েছে ৬টা ৪৯মিনিটে। আর সকাল ১০টা পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। বেলা যতই বেড়েছে কুয়াশার ঘনত্বও যেন তত গভীর হয়েছে। তখন শীতের তীব্রতাও বেড়েছে। প্রচণ্ড ঠাণ্ডার কারণে নিম্নবিত্ত মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। ঠাণ্ডার সঙ্গে গত কয়েকদিন বৃষ্টি যোগ হওয়ায় ছিন্নমূল ও ফুটপাতে থাকা মানুষজন ভোগান্তিতে পড়েন। অনেকেই কাগজ ও খড়কুটোর সাহায্যে আগুন জ্বালিয়ে তাপ পোহাতে দেখা যায়। টানা মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শেষে রাজশাহীতে গত বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উঠেছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এর মধ্যে গতকাল রোববার সকালে বৃষ্টির সম্ভবনা থাকলেও পরে আর বৃষ্টি হয়নি।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবহাওয়াবিদ কামাল উদ্দিন বলেন, জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছিল। তবে দুই তিনদিন পরে আরেকটা শৈত্যপ্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই আগামি কয়েকদিনের মধ্যে রাজশাহীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আবারও এক অংকে নেমে আসবে। এমন অব্যাহতভাবে এমন ঘন কুয়াশার পড়লে কৃষিতে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। বরাবরই শীতে বোরো বীজতলা ও রবি ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে কোল্ড ইনজুরি ও পচনসহ মড়ক বেড়ে যায়। তবে পরস্থিতি মোকাবিলায় এখন যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক শামসুল হক।