চতুর্থ দিনেই ইংল্যান্ডকে হারালো ভারত

আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০১৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



তৃতীয়দিন বিকালেই প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলো ইংল্যান্ডের পরাজয়। শুধু দেখার বাকি ছিল, কত দ্রুত জয় পায় ভারত। সে জয়টা পেতে অবশ্য খুব বেশি কষ্ট করতে হলো না ভারতকে। দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডকে অলআউট করে দিয়েছিল ২৩৬ রানে। জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন হয় মাত্র ১০১ রানের। ২ উইকেট হারিয়ে এই রানটা করে ফেললে বিরাট কোহলি অ্যান্ড কোং। চতুর্থ দিন শেষ বিকেলেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।
প্রথম ইনিংসেই পিছিয়ে ছিল ১৩৬ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিন শেষ বিকেলে ৭৮ রান তুলতেই হারিয়ে বসেছিল ৪ উইকেট। উইকেটে ছিলেন জো রুট আর নাইটওয়াচম্যান হিসেবে থাকা গ্যারেথ ব্যাটি।
চতুর্থ দিন সকালে ভারতের স্পিন ধাক্কায় শুরুতেই নাইটওয়াচম্যান থাকা গ্যারেথ ব্যাটি উইকেট হারান। এরপর জস বাটলার ২৯ রানের জুটি গড়েন জো রুটের সঙ্গে। বাটলার ১৮ রান করে আউট হয়ে গেলে জুটি বাধেন রুট আর হাসিব হামিদ। তারা দু’জন মোটামুটি প্রতিরোধের চেষ্টা করেন; কিন্তু স্পিন ঘূর্ণির সামনে টিকতে পারলেন না। ৪৫ রানের জুটি গড়ে ৭৮ রান করা জো রুট এবার আউট হয়ে গেলেন জাদেজার বলে।
রুট আউট হওয়ার পরই মূলতঃ ইংল্যান্টের প্রতিরোধ ভেঙে যায়। তবুও ক্রিস ওকস আর হাসিব হামিদ মিলে চেষ্টা করেন দলকে একটা ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে। এ দুজনের ব্যাটে যোগ হলো ৪৩ রান। দলীয় ১৯৫ রানে আউট হয়ে যান ক্রিস ওকস ব্যক্তিগত ৩০ রানে। হাসিব হামিদ শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৫৯ রানে। ক্যারিয়ারে এটা তার দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি।
শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ড অলআউট ২৩৬ রানে। ৩ উইকেট নেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ২টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ সামি, রবিন্দ্র জাদেজা এবং জয়ন্ত যাদব।
ফলে জয়ের জন্য ১০১ রানের সহজ লক্ষ্য দাঁড়ায় ভারতের সামনে। এ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই মুরালি বিজয়ের উইকেট হারায় ভারত। কোন রান না করেই আউট হয়ে যান তিনি। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে পার্থিব প্যাটেল আর চেতেশ্বর পুজারা যোগ করেন ৮১ রান। ২৫ রান করে এ সময় আউট হন পুজারা।
জয়ের জন্য বাকি কাজ শেষ করে দেন পার্থিব প্যাটেল আর বিরাট কোহলি। ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন পার্থিব। ৬ রানে বিরাট কোহলি। ক্রিস ওকস আর আদিল রশিদ নেন ভারতের উইকেট দুটি। ম্যাচ সেরা হলেন রবীন্দ্র জাদেজা।