চরৈবেতি

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৭, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ

মো. শরিফুল ইসলাম বাবু


চরিষ্ণু জীবনের সুখ-দুঃখ বেলায় যে তরঙ্গ সৃষ্টি হতে
বহমান কাল-মহাকাল ছুঁয়ে যায় তোমায় আমায়-
সর্বদাই সর্ব ইচ্ছায় যেখানে বৃত্তের বৃন্ত নিয়তই
অনুরণিত চলমান আকাশ মেঘ নীল আলো ছায়ায়
বৃষ্টির মোহমায়া পৃথিবীর টান।

বীজ বৃক্ষের শাখা প্রশাখায় কুশিলব সবুজ হলুদ
আলো আভায় মাটি মানুষের স্বপ্ন শৈল্পীক ভাবনায়
শিল্পীর জলরং ক্যানভাস তুলির ছোঁয়ায়
সময়ের কথাগুলো ভাঁজ খাওয়া কাব্যের পাতায়
জংপড়া র‌্যাকের তাকে থেকে যায় অসহায়।

তবু রূপান্তর হতে হতে রূপ পেতে কত যুগ কেটে যায়,
রূপের মাধুরী হাসে কাঁদে উষ্ণ যাতনায়,
কাশফুল বাতাস পেলে উড়ে যায়,
পৃথিবী ভ্রমণ হলে ফের ফিরে আসে আপন ঠিকনায়।

বাউলের দোতরায় তর্জনী নাচে তুন ওঠে ধুন ওঠে-
যেখানে হলদে পাখিরা গায়, নকশী কাঁথায় ভাসে
সোনালী সুঁতোর চরৈবেতি ইতিহাস,
পল্লীর পাখা কলস, মাথাল, লাঙ্গল, পালকী,
পাখির অবয়ব, যুগের গল্প অবভাস।

তবুও মাটির কোলে মাটির বসবাস ঘরবাঁধে
ঘর ভাঙ্গে, ভাটির সুর কানে বাজে
জলের শব্দ নিয়ে যায় আমাকে সেখানে-
যেখানে শব্দহীন জল অধিক চঞ্চল করে কোলাহল,
বাঁশি বাজে নেপথ্যে অচেনা অজানায়
চরৈবেতি খেলা খেলায় আমরা পুতুল সাজ-
নেচে যায় অনন্ত সময় অজানা ইশরায়।