বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

চলতি মৌসুমে নওগাঁয় ৩ হাজার ৫ শ ২০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন || ৩৫ হাজার মেট্রিক টন উৎপাদনের প্রত্যাশা

আপডেট: November 21, 2019, 12:56 am

আবদুর রউফ রিপন, নওগাঁ


নওগাঁয় রাণীনগরে পেঁয়াজের খেত-সোনার দেশ

কৃষি প্রধান জেলা নওগাঁয় চলতি মৌসুমে মোট ৩ হাজার ৫ শ ২০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করেছে কৃষি বিভাগ। নির্ধারিত লক্ষমাত্রার জমি থেকে ৩৪ হাজার ৮ শ ৮৪ মেট্রিকটন পেঁয়াজ উৎপাদনের প্রত্যাশা করা হয়েছে। চারা রোপণকৃত হালি পেঁয়াজ এখন বিক্রি প্রায় শেষ পর্যায়ে। আর গুঁটি থেকে উৎপাদিত মুড়িকাটা পেঁয়াজ বর্তমানে উঠতে শুরু করেছে। বেশি দাম পাওয়ার আশায় অনেক চাষি তাদের খেত থেকে আগাম মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠাতে শুরু করেছেন। অনেক চাষি পেঁয়াজের পাশাপাশি পেঁয়াজ গাছের পাতা (সাঁই) বাজারে আনছেন। এর এক মুঠ নওগাঁর বাজরে বিক্রি করছেন ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।
উপজেলা ভিত্তিক পেঁয়াজ আবাদ এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় ২ শ ৯০ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ২ হাজার ৮ শ ৭৫ মেট্রিক টন, রাণীনগর উপজেলায় ৮৫ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ৮ শ ৪০ মেট্রিক টন, আত্রাই উপজেলায় ১ শ ২৫ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ১ হাজার ২ শ ৪০ মেট্রিক টন, বদলগাছি উপজেলায় ৩ শ ৯০ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ৩ হাজার ৮ শ ৬৫ মেট্রিক টন, মহাদেবপুর উপজেলায় ২ শ ২০ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ২ হাজার ১ শ ৮০ মেট্রিক টন, পত্নীতলা উপজেলায় ১ শ ৩৫ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ১ হাজার ৩ শ ৪০ মেট্রিক টন। ধামইরহাট উপজেলায় ৭ শ ২৫ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ৭ হাজার ১ শ ৮৫ মেট্রিক টন, সাপাহার উপজেলায় ৪ শ ৪০ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ৪ হাজার ৬ শ ৯ মেট্রিক টন, পোরশা উপজেলায় ৫৫ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ৫ শ ৪৪ মেট্রিক টন, মান্দা উপজেলায় ৮ শ ৫০ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ৮ হাজার ৪ শ ২৫ মেট্রিক টন এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ২ শ ৫ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ২ হাজার ৩০ মেট্রিক টন।
জেলার রাণীনগর উপজেলার মালশন গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, এবার আমি দুই বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছি। কিছু দিনের মধ্যে পেঁয়াজ ওঠানো শুরু করবো। আশা করছি গত বারের চেয়ে এবার দাম ভালো পাবো।
পোরশা উপজেলার কৃষক মো. লোকমান আলী জানান, ১বিঘা জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করেছি। যদি আবহাওয়া ভালো থাকে এবং দাম ভালো পাই তবে আগামী আরো বেশি আবাদ করবো। তবে প্রতিবারেই দাম কম পাওয়ায় এবারে অল্প জমিতে আবাদ করেছি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদফতরে উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, চলতি মৌসুমে আলু উত্তোলনের পর সে সব জমিতে পেঁয়াজ চাষের প্রস্ততি গ্রহণ করছেন কৃষকরা। আমরা আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হবে এবং ভালো দাম পাবেন বলে আমি করছি।