চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাজারে সুমিষ্ট আম বিক্রি শুরু

আপডেট: মে ৩০, ২০২১, ৮:৫৬ অপরাহ্ণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:


মধুর মাস জৈষ্ঠ্যে আমের রাজধানী খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্থানীয় বাজারে সুমিষ্ট পরিপক্ক আম গোপালভোগ ও খিরসাপাত আসা শুরু হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আবহাওয়াজনিত কারণে দেরিতে আম পাকতে শুরু করেছে। তবে তারা বলছেন, করোনার মধ্যেও বাজারে ক্রেতাদের আগমন ঘটছে।
রোববার (৩০ মে) আমবাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা গোপালভোগ ও খিরসাপাত আম বাজারে নামিয়েছেন। আম বিক্রেতারা আম বিক্রির জন্য অস্থায়ীভাবে টিন শেড নির্মাণ এবং আমের ঝুড়ি থরে থরে সাজানো রয়েছে। জেন্টু রহমান ও বাহাদুর আলী নামে এক আম ব্যবসায়ী বলেন, এ জেলার সুমিষ্ট আমের চাহিদা থাকায় ক্রেতাদের আগমন ঘটতে শুরু করেছে। আম পেকে যাওয়ায় বাজারে আম নেমেছে। তবে, এ বছর আবহাওয়া অনুুকুলে থাকায় গোপালভোগসহ অন্যান্য জাতের আমের ফলন ভাল হওয়ায় বাজারে এ আমের আমদানি বেড়ে গেছে। আমের বাজার স্থায়ী করতে পরিবেশ সম্মত টিনশেড নির্মাণ করলে বিক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্যে বিক্রয় করতে পারবে। তিনি আরো জানান, ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লাসহ বেশ কিছু জেলায় পুরাতন পাইকার রয়েছে। তারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমের চাহিদা পাঠানোর পর সেসব স্থানে আম প্রেরণ করা হচ্ছে।
আরেক আম ব্যবসায়ী আব্দুৃর রাকিব বলেন, আম পরিপক্ক হওয়ার পরেই বাজারে নিয়ে আসা হয়েছে। বাজারে গোপালভোগ, খিরসাপাত ও খুদি খিরসা আম এসেছে, দাম মোটামুটি ভাল পাওয়া যাচ্ছে। গত বছর আমের দাম ভাল পাওয়া গেছে। এবার প্রথমেই গোপালভোগ ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা মণ। এদিকে খিরসাপাত আম ১৬০০ থেকে ২০০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা বাজারে আসছে, তবে অনেকেই না আসলেও মোবাইলফোনের মাধ্যমে তারা চাহিদা দিচ্ছেন এবং ঠিকানা অনুযায়ী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। প্রসঙ্গত, জেলায় ৩৪ হাজার ৭৩৮ হেক্টর জমিতে আমের চাষ এবং গাছের সংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ। আর আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ মেট্রিক টন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ