চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবার তৈরিকৃত দা-বটি বিক্রি নেই

আপডেট: জুলাই ১৯, ২০২১, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:


কোরবানির ইদে পশু জবাই, চামড়া ছড়ানো ও গোশত কাটার কাজে ব্যবহৃত হয় দা, ছুরি, বটি ও চাপাতি। প্রতি বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোরবানির ইদের সময় কর্মকাররা এসব তৈরীকৃত জিনিস গ্রাহকদের চাহিদানুযায়ী বিক্রি করে থাকেন। তবে এ বছর করোনায় ভিন্ন চিত্র ফুটে উঠেছে। করোনার কারণে এবারও তাদের ব্যবসা আশনুরূপ না হওয়ায় এ ব্যবসাতেও প্রভাব পড়েছে। সব মিলিয়ে চরম হতাশায় পড়েছেন কর্মকার সম্প্রদায়।
গতকাল সোমবার বেলা ১১টায় জেলা শহরের বড় ইন্দারামোড় ঘুরে কর্মকারদের সাথে কথা বলে জানা যায়. এবারও তাদের ব্যবসা তেমন ভাল নয়। তারা এবারও বেশ চিন্তিত। আর মাত্র ১দিন পরে কোরবানির ইদ উদযাপিত হবে। তারা এ পেশার সাথে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত। এসময় তারা বাড়তি আয় করে থাকেন। কিন্তু তেমন ক্রেতা বাজারে নেই। গত ৫ দিন থেকে তারা পসরা সাজিয়ে এ ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। কিন্তু তেমন ক্রেতা না আসায় তারা হতাশায় ভুগছেন।
জেলা শহরের হুজরাপুর এলাকা থেকে বিক্রি করতে আসা নিতাই কর্মকার জানান, দীর্ঘদিন ধরে এ পেশার সাথে নিয়োজিত। প্রতি বছর কোরবানির ইদ উপলক্ষে কর্মকাররা কামারশালা থেকে দা, ছুরি, বটি ও চাপাতি তৈরি করে তা শহরের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হয়। কোরবানির ইদে পুঁজি বিনিয়োগ করে এসব সামগ্রী সাজিয়ে রাখেন বিক্রি করার জন্য। তবে বাজারের অবস্থা দেখে খুব চিন্তিত। খুব একটা বিক্রি না হওয়ায় এ শিল্পে প্রভাব পড়েছে। শিমুলতলা এলাকা থেকে আসা ইমন কমর্কার জানান, বিক্রি মোটামুটি হচ্ছে। জিনিষপত্রের দাম আগের মতই। তৈরিকৃত দা ৪’শ টাকা, হাসুয়া ২৫০ টাকা, চাকু ২৫০-৩’শ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। এসময় ক্রেতারা আসেন, পছন্দমত জিনিসের দরদাম শেষে কিনে নিয়ে যান। তাদের ব্যবসা ভাল হয়ে থাকে এবং এবার করোনার কারণে তাদের ব্যবসার উপর প্রভাব পড়েছে।