চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক দুই মামলায় চারজনের কারাদণ্ড

আপডেট: মে ১৩, ২০১৭, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ অফিস


চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক দুইটি মামলার রায়ে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে চারজনকে কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। চাঁপাইনবাবগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল-২’র বিজ্ঞ বিচারক মো. জিয়াউর রহমান গত বৃহস্পতিবার মামলা দুইটির রায় প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের আমারক গ্রামের হোসেনের ছেলে খাইরুল (২৪), একই গ্রামের সাজ্জাদ আলীর ছেলে ফারুক (২৯) ও রনি (২৪) এবং গোমস্তাপুর উপজেলার দেওপুরা গ্রামের মৃত রফিকুলের ছেলে নুরুজ্জামান (৪৩)।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর দণ্ডিত খাইরুল, ফারুক ও রনিসহ আরো কয়েকজন আমারক গ্রামের ইন্দ্রজিত রায়ের মেয়ে শিউলী রানীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। শিউলীর চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটি লজ্জায় বিষপান করে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা ইন্দ্রজিত রায় বাদি হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম ২০১৩ সালের ৪ এপ্রিল চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি খাইরুলকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে তিন মাস কারাদণ্ড এবং মামলার অপর দুই আসামি ফারুক ও রনিকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে এক মাস করে কারাদণ্ড প্রদান করে আদালত। মামলায় আনিত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় জিয়াউর রহমান নামের আরেক আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
অপরদিকে ২০১৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি গোমস্তাপুর উপজেলার দেওপুরা গ্রামের ১২ বছরের এক প্রতিবন্ধী মেয়ে রাস্তার পাশে খেলার সময় নুরুজ্জামান তাকে মাঠে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় মেয়েটির চাচা আবদুর রহিম বাদি হয়ে গোমস্তাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত মামলার একমাত্র আসামি নুরুজ্জামানকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ