চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে বাবা-ছেলেসহ ১০টি গরু নিহত

আপডেট: মে ২০, ২০২২, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও শিবগঞ্জ প্রতিনিধি:


চাঁপাইনবাবগঞ্জের পদ্মা নদীতে মাছ শিকারে গিয়ে বজ্রপাতে বাবা-ছেলেসহ ১০টি নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন, উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের মিন্টুর ছেলে বদিউর (৪২) ও তার ছেলে আওয়াল (২২)। শুক্রবার (২০ মে) দুপুরে পদ্মা নদীর ধুলাউড়ি ঘাট থেকে বদিউরের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, তীব্র স্রোতে পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে ছেলের মরদেহ। তবুও নিখোঁজ ছেলের মরদেহ উদ্ধার অভিযানে কাজ করছে ডুবুরি দল। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পদ্মা নদীর ধুলাউড়ি ঘাটে এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। বজ্রপাতে বাবা-ছেলে নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুলর্ভপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রাজিব রাজু।

এদিকে খবর পেয়ে বিকেলে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নিহতের পরিবারের সদস্যদের নিকট নগদ ৪০ হাজার টাকা প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হায়াত। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, দুর্লভপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রাজিব রাজু ও ইউপি সদস্য আকতারুল ইসলামসহ অন্যরা।

এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরবাগডাঙ্গায় বজ্রপাতে ১০টি গরু মারা গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাখর আলী এলাকায় বজ্রপাতে গরুগুলো মারা যায়। গরুগুলো মারা যাওয়ায় রাখালরা দিশেহারা হয়ে পড়ে। চরবাগডাঙ্গা ইউপি’র ১নং ওয়ার্ড সদস্য নুরুল ইসলাম জানান, গরুর রাখালরা প্রতিদিন গরু চরানোর পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাখর আলী এলাকায় তাদের বাথানে গরুগুলো রাখে। বৃহস্পতিবার রাতে সাড়ে ৭ টার দিকে বৃষ্টির পাশাপাশি বজ্রপাত হলে ১০টি গরু মারা যায়।

এর মধ্যে রাখাল নজরুলের গরু ৩টি, বাবুর ২টি, বুদ্ধু ও আনারুলের ২টি এবং উজিরের ৩টি গরু। এদিকে এ ঘটনার খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান, শুক্রবার (২০ মে) দুপুরে ঘটনাস্থলে যান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বজ্রপাতে কৃষকদের ১০টি গরু মারা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত রাখালরা লিখিত আবেদন করলে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।