চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন

আপডেট: মে ১৬, ২০১৭, ৩:২০ পূর্বাহ্ণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ অফিস


গ্রীস্মের শুরুতেই চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুতের ঘন ঘন যাওয়া-আসায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। শহর এলাকায় দিনে রাতে সব সময়ে ৪-৫ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। আর গ্রামাঞ্চলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা থাকছে না বিদ্যুৎ। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিদ্যুৎ না থাকায় কলকারখানা ও ব্যবসা বাণিজ্যে ক্ষতি হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। চরমভাবে পানির সঙ্কটে পড়েছেন আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত একমাস ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে চলছে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং। জেলা শহরে দিনে চার থেকে পাঁচবার লোডশেডিং দেয়া হচ্ছে। বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা যাওয়ায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না। সব থেকে বিপদে আছেন গ্রামাঞ্চলের মানুষ। দিনের অধিকাংশ সময়ই উপজেলা শহরসহ গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ থাকছে না বলে অভিযোগ করেছেন সেখানকার অধিবাসীরা।
জেলা শহরের হুজরাপুর এলাকার বাবু জানান, প্রতিদিন ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে চলমান এইচএসসি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়া তীব্র গরমে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। ২-৪ বছরের মধ্যে এমন ভয়াবহ লোডশেডিং আর দেখেন নি বলে জানান তিনি ।
ক্লাব সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ী আতিকুল ইসলাম জানান, সারাদিনে ৪-ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে গেছে। গরমে ক্রেতারা মার্কেটে না আসায় সারাদিনে বেচাকেনার পরিমান কমে গেছে।
বিষয়টি নিয়ে নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন লোডশেডিংয়ের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, সোমবার জেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ৩২ মেগাওয়াট হলেও দেয়া হয়েছে মাত্র ১৪ মেগাওয়াট। তাই বাধ্য হয়েই লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। অন্যদিকে নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২’র নির্বাহী প্রকৌশলী রুহুল করীম জানান, সিরাজগঞ্জে ঝড়ে একটি টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ