চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেকার সেলুন কর্মীদের খাদ্য সহায়তা দাবি

আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২০, ১১:৩২ অপরাহ্ণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি


করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনানুযায়ী চলছে সাধারণ ছুটি। নিত্যপণ্যের দোকান ও কাঁচাবাজার ব্যতিত সকল ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত ও গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা পড়েছে বিপাকে। সচরাচর মানুষ সেবা পায়, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সেলুন। এ পরিস্থিতিতে সেলুনে চুল ও দাড়ি কাটাতে আসা খদ্দেরদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব রাখাই কঠিন। করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় জেলা শহরের পাড়া-মহল্লায় সেলুনগুলো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
সেলুন মালিক মো. মুন্নার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ছুটিতে অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দোকানপাট বন্ধ থাকায় বেশিরভাগ সেলুনকর্মী তাদের নিজ নিজ এলাকায় চলে গেছে। যারা শহরে বসবাস করেন তারাও কর্মহীন হয়ে কষ্ট করে জীবন-যাপন পালন করছেন। এখন তারা পুরো অলস সময় পার করছেন। অনেক সেলুন কর্মীর কাছে জমানো যে টাকা ছিল, তা শেষ হয়ে গেছে। তারা ধার করে কোনোরকমে পরিবার নিয়ে দিন পার করছেন। এখন পর্যন্ত তারা কোনো খাদ্য সহায়তা পাননি।
আরেক সেলুনের মালিক সনি জানান, এ বিপদ থেকে কখন উদ্ধার হবো আল্লাহ ছাড়া কেউ বলতে পারবে না। পরিচিত খদ্দেররা অনেক সময় মোবাইল করলে প্রয়োজনে তাদের বাড়িতে গিয়ে সেলুন কর্মী কেঁচি ও ক্ষুর পরিস্কার করেই চুল ও দাড়ি কেটে আসছে। তারা কেঁচি ও ক্ষুর কিছুটা হলেও সেখান থেকে তারা অর্থ উপার্জন করছে। সেলুন খোলা থাকলে রোজগার ভালই হতো, এখন জমানো টাকা খরচ করছি। খদ্দেরদের অভাবে এখন সেলুন মালিকরা একরকম বেকার। সেলুন খোলার বিষয়ে তিনি জানান, গরিব মানুষ- কী করে খাবো জানি না। এছাড়া অন্য কোনো কাজ করে খাবো সেটিরও পরিস্থিতি নেই। সবমিলিয়ে একরকম বেকারই বলা যায়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ