চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর নির্বাচনে নৌকার পালে হাওয়া

আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২১, ৫:৪০ অপরাহ্ণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :


চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৭ম ধাপে ২ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ পৌর নির্বাচনে সাধারণ মানুষের আস্থা-ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার মাঝি মেয়র প্রার্থী মো. মোখলেসুর রহমান। তবে পৌরসভার পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য সঠিক নেতৃত্বই বেছে নেবেন বলে ভোটাররা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

৪ মেয়র প্রার্থীর লড়াইয়ে ক্ষমতাসীন দলের নৌকার প্রার্থী রয়েছেন সুবিধাজনক অবস্থানে। ভোটারদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, ৪ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে নৌকা মার্কায় মো. মোখলেসুর রহমান বিজয়ী হওয়ার পথে একমাত্র কাটা আ.লীগের বিদ্রোহী সামিউল হক লিটন। আওয়ামী লীগের এ বিদ্রোহী প্রার্থী নৌকা ডুবাতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন। তবে দলীয় কোন্দল ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সবার একটাই লক্ষ্য নৌকাকে বিজয়ী করা। কেননা ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় কোন্দলে পরাজিত হয়েছিল। এ পরাজয়ের গ্লানি পার করে এবার নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতি নিয়ে সবাই মাঠে নেমেছেন।

কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতৃবৃন্দের জোর প্রচারণায় নৌকার পালে হাওয়া লেগেছে। পৌরসভার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা এবার পরিবর্তনের পক্ষে। সরকারি দলের মেয়র না থাকায় তাতে কেবলই উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে। এ এলাকা দিন দিন পিছনে পড়ে যাচ্ছে। এবার অন্তত উন্নয়নের স্বার্থে নৌকাকে বিবেচনা করতে চান। ফলে নৌকার বিজয় অনেকটাই সুনিশ্চিত। বিগত ২৫ বছরে বিএনপি আর জামায়াতের মেয়র ছিলেন। এ পৌরসভায় কখনো আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জয়লাভ না করলেও এবার এখানে নৌকার পালে লেগেছে হাওয়া। অসংখ্য নেতা-কর্মী-সমর্থক নিয়ে গণসংযোগের সময় ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ততা দেখা গেছে।

তরুণ-যুবকরা হাত ধরে আর প্রবীণরা মাথায় হাত রেখে নৌকার মাঝি মোখলেসুরকে আশীর্বাদ করছেন। নৌকার নির্বাচনী উঠোন বৈঠকগুলোতে নারী-পুরুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন ওয়ার্ডের অলি-গলি, পাড়া মহল্লায় দিনভর গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। গণসংযোগের মাঝেমাঝে তিনি একাধিক পথসভায় ভোটারদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন।

আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘মহামারি করোনার সময় প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের খোঁজ-খবর নিয়েছি এবং খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কয়েক মাস যাবৎ করা হয়েছিল।। মসজিদগুলোতে ব্যক্তিগত অর্থায়নে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে। সেই কাজের দাবি হিসেবে আপনাদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছি।

তিনি আরও বলেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রতিষ্ঠা করেছি ‘জোস্নারা ফাউন্ডেশন’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান। নির্বাচনে তিনি ভোটারদের কাছে নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে বলেন, আপনাদের ভোটে মেয়র নির্বাচিত হলে এই পৌর শহরকে পরিকল্পিত আধুনিক ও উন্নত শহর হিসেবে গড়ে তুলব। এছাড়া এ পৌরসভা গঠনের পর থেকে এখানে কোনো পরিকল্পিত উন্নয়ন হয়নি। একটা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও সমস্যায় জর্জরিত। প্রতিশ্রুতি নয় কর্মের মাধ্যমেই তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভাকে এগিয়ে নিতে চান।