চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচন || ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ৬ প্রার্থী

আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০১৯, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি


চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচিত ৬ প্রার্থী-সোনার দেশ

আগামী ১৪ অক্টোবর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ভোটের মাঠে এগিয়ে আলোচনায় আছেন ৬ জন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত একাধিক ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। ভোটের মাঠে এগিয়ে থাকা পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, উপজেলার বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও জামায়াত থেকে আ’লীগে যোগ দেয়া তালা প্রতিকের প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ সোহরাব আলী, মহারাজপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাড. নজরুল ইসলাম সোনার ছেলে বই প্রতিকের প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলাম রাজন ও উড়োজাহাজ প্রতিকের প্রার্থী ও পৌর বিএনপি’র যুগ্ম্ন সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী থাকলেও এগিয়ে হাঁস প্রতিকের প্রার্থী ও পৌর মহিলা আ’লীগের সভাপতি শরিফা খাতুন বেবি, ফুটবল প্রতিকের প্রার্থী ও বিএনপি নেত্রী শরিফা খাতুন ডেইজী ও কলস প্রতিকের প্রার্থী ও পৌর মহিলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসরিন আখতার।
এদিকে, তালা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ সোহরাব আলী বলেন, বর্তমান সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন দেখে আকৃষ্ট হয়ে আ’লীগে যোগদান করি। এ এলাকার উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছি। গত নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলাম। এবারো ভোটাররা আমাকে ভোট দিবে বলে আশাবাদি।
হাঁস প্রতিকের প্রার্থী শরিফা খাতুন বেবি বলেন, তিনি ২য় বার চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর থাকায় সে সময় তিনি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। যা তার কাজের মূল্যায়ন ভোটাররা করবে বলে তিনি আশাবাদি।
ফুটবল প্রতিকের প্রার্থী শরিফা খাতুন ডেইজী বলেন, শিক্ষানবিস আইনজীবী হওয়ার সুবাদে মানুষের মাঝে পরিচিতি রয়েছে। তাদের কল্যাণে কাজ করায় ভোট পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদি এবং জয়ী হবেন।
১৪ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা। মোট ভোটার ৩ লাখ ৮১ হাজার ৯’শ ১৪, এরমধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যাই বেশি। ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীদের মধ্যে জয় পরাজয় নির্ধারনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে আঞ্চলিকতা ও প্রার্থীদের স্বজন, বন্ধুবান্ধবসহ শুভাকাঙ্খিরা। এক্ষেত্রে দলীয় পরিচয়টা বেশি মুখ্য হয়ে দেখা নাও দিতে পারে। যে যত বেশি নিজ এলাকায় ভোট উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় পাবেন তার বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি । এদিকে জামায়াত ভোটের মাঠে না থাকলেও ভাইস চেয়ারম্যান পদে দলীয় পরিচয় না থাকায়, তারাও অনেকেই ভোটের মাঠে সক্রিয়ভাবে নিজ নিজ আত্মিয়তা সূত্রে প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন।
এছাড়াও আ’লীগ ও বিএনপির প্রভাবশালী নেতারাও নিজ নিজ পছন্দের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন। ভোটের মাঠের নানা সমিকরণে দেখা যাচ্ছে দুই পদের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে এ ৬ প্রার্থীই মূল প্রতিদ্বন্দিতায় থাকবেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ