চারঘাট পৌরসভা ও ছয় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পদত্যাগ

আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৭, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার এক পৌরসভা ও ছয় ইউনিয়নের ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ পদত্যাগ করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহী কলেজের একটি ছাত্রাবাসে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃবৃন্দ এ পদত্যাগের ঘোষণা দেন। অছাত্র, বিবাহিত ও ছাত্রলীগ করে না এমন জনকে নিয়ে চারঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠন করার প্রতিবাদে পৌর ও ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ ছাত্রলীগ নেতা কাজী ফিরোজ আহমেদ লনির নেতৃত্বে এ পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় যে, আল মামুন তুষারকে চারঘাট ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। ছাত্রলীগের গঠনগতন্ত্র অনুযায়ি কারো বয়স ২৯ বছরের বেশি হলে সে কোনভাবেই ছাত্রলীগ করতে পারবে না। অথচ ৩০ বছরের বেশি বয়সে তুষারকে সভাপতি করা হয়েছে। গঠনতন্ত্রে আরো আছে যে, বিবাহিত কেউ ছাত্রলীগ করতে পারবে না। অথচ নোমান পারভেজ শোভনকে নতুন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এক নম্বর সহসভাপতি মনিমুল ইসলামেরও বয়স ২৯ বছর পার হয়ে গেছে। দুই নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রায়হানুল হক রায়হান বিভিন্ন বিতর্কিত ঘটনার সঙ্গে থাকার কারণে কর্মিদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন। এছাড়াও নতুন কমিটিতে জাহিদ হাসান শুভ নামে যাকে প্রচার সম্পাদক করা হয়েছে আগে সে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলো না।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, চারঘাট পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি একরামুল হক সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম, ২নং শালুয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি বুলবুল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক সুরজিত কুমার ঘোষ, ৫নং চারঘাট ইউনিয়নের আহ্বায়ক বাচ্চু হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা, ৩নং সারদা ইউনিয়নের আহ্বায়ক মাইনুল ইসলাম, ৬নং ভায়া লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা, ১নং ইউসুফপুর ইউনিয়নের আহ্বায়ক রাজ কুমার, যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন, ৪নং নিমপাড়া ইউনিয়নের সভাপতি মীর হুমায়ন কবির, সাধারণ সম্পাদক রনি ইসলাম।
এসময় নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন যে, বিভিন্নভাবে প্রভাবিত হয়ে জেলা ছাত্রলীগের নেতারা চারঘাট ছাত্রলীগের দায়িত্ব অযোগ্যদের হাতে তুলে দিয়েছে। বিষয়টি সংগঠনের জন্য অত্যান্ত ক্ষতিকর। এর প্রভাব আগামী সংসদ নির্বাচনের উপরেও পড়বে। এ অযোগ্য কমিটি ভেঙে দিয়ে যোগ্য নেতৃত্ব নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।