চ্যাম্পিয়ন হওয়া হলো না বাংলাদেশি যুবাদের

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৭, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


নেপাল। এক দুঃখের নাম হয়ে থাকবে বাংলাদেশের বয়সভিত্তিক ফুটবল দলের জন্য। এই দলটিকে আগের ম্যাচে বাংলাদেশ যদি হারাতে পারতো কিংবা নিদেনপক্ষে ড্র! আহা। তাহলে ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে বুধবার হতো বাংলাদেশের জয় জয়কার। তাও শুধু নয়, ভারত যদি বুধবার নেপালকে হারাতে পারবো কিংবা ড্র করতো, তাও জয় হতো বাংলাদেশের। অনূর্ধ্ব-১৮ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশই হতো চ্যাম্পিয়ন। কিন্তু বাস্তবে হলো উল্টো। স্বাগতিক ভুটানকে এদিন জাফর ইকবালের জোড়া গোলে ২-০ গোলে হারাল লাল সবুজের যুবারা। তারপর তাকিয়ে রইলো নেপাল-ভারতের ম্যাচের দিকে। কিন্তু সেখানে ভারতকে ২-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখলো আগেরবারের চ্যাম্পিয়ন নেপাল। একটুর জন্য শিরোপা মিস বাংলাদেশের। রানার্স আপ হয়েই শেষ করতে হলো স্বপ্নের মতো টুর্নামেন্টটি।
এদিন দুটি ম্যাচ ছিল। ভুটান-বাংলাদেশ। ভারত-নেপাল। বাংলাদেশেরটি আগে। চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে ৭৯ মিনিট পর্যন্ত গোলের দেখা পেলো না স্বাগতিক ভুটান কিংবা বাংলাদেশ। কিন্তু এরপর ৪ মিনিটের ম্যাজিকে জাফর সব পাল্টে দিলেন। ৮০ ও ৮৪ মিনিটে দুর্দান্ত দুটি গোল করলেন জাফর। বাংলাদেশের ঘরে শিরোপা আসবে কি না তা তখন গিয়ে নির্ভরশীল ভারত-নেপালের ম্যাচে।
ভারতকে প্রথম ম্যাচে ৪-৩ গোলে হারিয়েছিলেন জাফররা রূপকথার গল্প লিখে। কিন্তু নেপালের কাছে রবিন রাউন্ড লিগের আসরের তৃতীয় ম্যাচে হেরে গেলো বাংলাদেশ। কপালটা আসলে ওখানেই পুড়লো। বোঝা গেলো শেষে। ভারত যদি নেপালকে হারাতো বাংলাদেশের সমান পয়েন্টই হতো তাদের। কিন্তু মুখোমুখি দেখায় জয়ের কারণে শিরোপা জিততো বাংলাদেশ। ড্র করলে তো কোনো হিসেব নিকেশ ছাড়াই লাল সবুজ চ্যাম্পিয়ন। নেপাল হতে দিলো না তা। ভারতের বিপক্ষে জয়ে বাংলাদেশের সমান পয়েন্টই হলো তাদের। কিন্তু মুখোমুখি দেখায় বাংলাদেশকে হারানোর কৃতিত্বে চ্যাম্পিয়ন তারা।
ভারতের বিপক্ষে প্রথমার্ধে ২-০ তে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় নেপাল। খেলার দ্বিতীয় মিনিটেই দিনেশ হেনজান গোল করে অসাধারণ শুরু এনে দেন। ভারত ফিরতে পারে না। তারা আরো পিছিয়ে যায় ৩৭ মিনিটে। এবার দিনেশ হানজেন গোল করে ব্যবধান করেন ২-০।