ছয় বছরের ইমনের ভাষণ শুনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী

আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৭, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে শিশু ইমন ও সাংসদ এনামুল হকসহ অন্যরা- সোনার দেশ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ অবিকলভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামনে উপস্থাপন করলো রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ছয় বছরের শিশু ইমন।
আর ইমনের এ স্বপ্ন অবশেষে পূরণ করলেন স্থানীয় সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। একইসঙ্গে নিজের অঙ্গীকারও পূরণ করেছেন সাংসদ। বঙ্গবন্ধুর তনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গত  মঙ্গলবার সাক্ষাৎ করে ভাষণ শুনিয়েছেন ইমন। তার এ ধরনের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
উপজেলার পশ্চিম বাগমারার বাড়িগ্রামের জুতা দোকানদার ইমরান আলীর ছয় বছরের শিশু  ইমন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ মুখস্থ করে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মাইকে প্রচার হওয়া ভাষণ শুনে ইমন তা আয়ত্ত করে। বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠান ও সভায় ভাষণ প্রচার করে সাংসদসহ দলের নেতাকর্মীদের নজরে আসে শিশু ইমন। হাটগাঙ্গোপাড়ায় আয়োজিত দলীয় এক অনুষ্ঠানে প্রথম সাংসদ এনামুল হক শিশুর কণ্ঠে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ শুনে মুগ্ধ হন এবং পুরষ্কারও দেন। এসময় শিশু ইমন ও তার বাবা ইমরান আলীর প্রত্যাশা ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করার। ইমন তার আয়ত্ব করা ভাষণটি প্রধানমন্ত্রীকে শোনানোর আবদার জানায় সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের কাছে। সাংসদ এনামুল হক ওই সময়ে তাদের আশ^স্ত করেছিলেন এবং অঙ্গীকারও করেছিলেন।
সাংসদের এই অঙ্গিকার এবং খুদে প্রতিভাবান ইমনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ইমন ও তার পিতা ইমরান আলীকে নিয়ে যান সাংসদ এনামুল হক। শিশু ইমন এসময় তার আয়ত্ব করা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ শোনায়।
আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা মনোযোগ সহকারে ছয় বছরের ইমন ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ শোনার পর মুগ্ধ হন। এসময় তিনি হারিয়ে যান পিতার স্মৃতির মাঝে। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইমনের সঙ্গে ছবি তোলেন। ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের পর তা ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
সাংসদ এনামুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিশুর ভাষণ শুনে মুগ্ধ হয়েছেন। তিনি শিশুকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই সাক্ষাতের মাধ্যমে আমি আমার অঙ্গীকার পূরণ করেছি।
ইমনের পিতা ইমরান আলী এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, তিনি যে ছেলেসহ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন সেটা ভাবতে পারেন নি। জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া তিনি পেয়েছেন। নিজেদের ধন্য এবং গর্বিত মনে করছেন। তিনি সাংসদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ