জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দেশের শীর্ষে রাজশাহী বিভাগের সাত জেলা

আপডেট: অক্টোবর ৬, ২০২২, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :


রাজশাহী বিভাগের ২০২১-২২ অর্থ বছরের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে প্রথম হয়েছে নওগাঁ জেলা। এছাড়াও সারা দেশে ৬৪টি জেলার মধ্যে দ্বিতীয় হয়েছে নওগাঁ জেলা। অন্যদিকে দেশের শীষ দশটি তালিকার মধ্যে রাজশাহী বিভাগের সাত জেলার নাম রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার উপ পরিচালক ড. চিত্রলেখা নাজনীন।

বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী ২০২১-২২ অর্থ বছরে নওগাঁ বিভাগীয় পর্যায়ে ১ম অবস্থানে রয়েছে এবং জাতীয় পর্যায়ে ২য় অবস্থানে রয়েছে। এছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিভাগীয় পর্যায়ে ২য় অবস্থানে রয়েছে এবং জাতীয় পর্যায়ে ৩য় অবস্থানে রয়েছে, পাবনা বিভাগীয় পর্যায়ে ৩য় অবস্থানে রয়েছে এবং জাতীয় পর্যায়ে ৪র্থ অবস্থানে রয়েছে, নাটোর বিভাগীয় পর্যায়ে ৪র্থ অবস্থানে রয়েছে এবং জাতীয় পর্যায়ে ৫ম অবস্থানে রয়েছে, সিরাজগঞ্জ বিভাগীয় পর্যায়ে ৫ম অবস্থানে রয়েছে এবং জাতীয় পর্যায়ে ৭ম অবস্থানে রয়েছে, রাজশাহী জেলা- বিভাগীয় পর্যায়ে ৬ষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে এবং জাতীয় পর্যায়ে ৮ম অবস্থানে রয়েছে, জয়পুরহাট বিভাগীয় পর্যায়ে ৭ম অবস্থানে রয়েছে এবং জাতীয় পর্যায়ে ৫ম অবস্থানে রয়েছে, বগুড়া বিভাগীয় পর্যায়ে ৯ম অবস্থানে রয়েছে এবং জাতীয় পর্যায়ে ২৩ তম অবস্থানে রয়েছে।

বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার উপ পরিচালক ড. চিত্রলেখা নাজনীন জানান, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মিশন– জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে সকল শিশুদের জন্ম নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক । পাশাপাশি যে কোন লোক মৃত্যূর ৪৫ দিনের মধ্যে মৃত্যু নিবন্ধন করারও বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই সরকারের এই মহৎ উদ্যোগ কে স্বাগত জানিয়ে ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন শতভাগ নিশ্চিত করতে বিভাগীয় পর্যায়ে গঠন করা হয়েছে জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন টাস্ক ফোর্সের কমিটির। এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহী বিভাগের ২০২১-২২ অর্থ বছরের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে প্রথম হয়েছে নওগাঁ জেলা। এছাড়াও সারা দেশে ৬৪টি জেলার মধ্যে দ্বিতীয় হয়েছে নওগাঁ জেলা।

তিনি আরো জানান, বিভাগীয় কমিশনার মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে রাজশাহী বিভাগের ৭টি জেলা সেরা ১০টি জেলার মধ্যে রয়েছে। এক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ে জেলা প্রশাসক, ইউএনও, স্থানীয় সরকার শাখার সকল কর্মকর্তাবৃন্দের প্রচেষ্টায় এই সফলতা এসেছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ