জর্ডানে ইসরায়েলি দূতাবাসে গোলাগুলি, নিহত ২

আপডেট: জুলাই ২৫, ২০১৭, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


জর্ডানের রাজধানী আম্মানে ইসরায়েলি দূতবাসে এক গুলিবর্ষণের ঘটনায় দুই জর্ডানি নাগরিক নিহত ও এক ইসরায়েলি নাগরিক আহত হয়েছে। ব্যাপক প্রহরাধীন ইসরায়েলি দূতাবাসের কম্পাউন্ডে রোববার এ গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও বিবিসি। পুলিশ জানিয়েছে, গুলিবর্ষণের আগে মেরামতের কাজ করতে একটি আসবাব কোম্পানির দুই জর্ডানি কর্মী দূতাবাসের ভিতরে ঢুকেছিল।
আহত ইসরায়েলির পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ এবং ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তেমন কিছু জানাও যায়নি। কী থেকে গুলিবর্ষণের ঘটনাটি শুরু হয়েছিল সে সম্পর্কেও পরিষ্কার কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
নিরাপত্তা বাহিনী দূতাবাসটি বন্ধ করে রেখেছে এবং ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাদের সব কর্মীকে সরিয়ে নিয়েছে। জর্ডানের পুলিশ জানিয়েছে, ইসরায়েলি দূতাবাসের ব্যবহার করা একটি আবাসিক ভবনে গুলিবর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে। তদন্তকারীরা তদন্তের ‘প্রাথমিক পর্যায়ে’ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ঘটনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত রয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
আম্মানের অভিজাত রাবিয়েহ আবাসিক এলাকায় অবস্থিত ইসরায়েলি দূতাবাসটি অত্যন্ত সুরক্ষিত।
পূর্ব জেরুজালেমের হারাম আল শরীফের প্রবেশ পথে মেটাল ডিটেক্টর বসানোর প্রতিবাদে শুক্রবার আম্মানে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ করে কয়েক হাজার জর্ডানি।
ওই স্থানে মেটাল ডিটেক্টর বসানোকে কেন্দ্র করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। হারাম শরীফের কাছে দুই ইসরায়েলি পুলিশকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর সেখানে মেটাল ডিটেক্টর বসায় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।
এ নিয়ে ফিলিস্তিনিরা প্রতিবাদ বিক্ষোভ শুরু করলে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে গত কয়েকদিনে অন্তত সাতজন নিহত হয়।
১৯৪৯ সাল থেকে ১৯৬৭-র আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের আগ পর্যন্ত পূর্ব জেরুজালেম জর্ডানের অধীনে ছিল। দেশটি এখনও হারাম আল শরীফের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োজিত আছে।
তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ